মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন

অনেকটা সুরক্ষিত থেকেই ‘আম্ফান’ ঠেকালো সুন্দরবন

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২০, ৪.০২ পিএম
  • ৬২ বার পঠিত
জোবায়ের ফরাজী,বাগেরহাট : বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সুপার সাইক্লোন আম্ফানের তান্ডবে পূর্ব সুন্দরবনে বিভিন্ন অফিস ও জেটিসহ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে প্রায় ১ কোটি ৬৭ লাখ ৭৩ হাজার নয়’শ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ। ঝড় পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে বনবিভাগের জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তবে বনে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট গাছপালার তেমন ক্ষতি হয়নি। বনবিভাগের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিভিন্ন অফিস এলাকার গাছ উপড়ে পড়েছে। জব্দকৃত বেশ কিছু সুন্দরী গাছের লট ভেসে গেছে এ ছাড়া, ২১টি সোলার, ১৬টি পানির ট্যাঙ্ক, ১৮টি কাঠের জেটি, ১৭টি পুকুর, ১৬টি অফিস, আটটি স্টাফ ব্যারাক, একটি পন্টুন, ওয়াচ টাওয়ার একটি, দুটি ফুট ট্রেইল, একটি হরিণের শেড, একটি ডলফিনের শেড ও দুটি গোলঘর ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে এক কোটি ৬৭ লাখ ৭৩ হাজার নয়’শ টাকার। আমফানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরুপন করার জন্য গঠিত কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ডিএফও মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন,‘ঘূর্ণিঝড় আম্পান সুন্দরবনের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়ায় উপকূলবাসী রক্ষা পেলেও বনের বেশ ক্ষতি হয়েছে। সুন্দরবনের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে গত ২১ মে শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন ও চাঁদপাই রেঞ্জ কর্মকর্তা এনামুল হকের নেতৃত্বে পৃথক দুটি কমিটি গঠন করা হয়। বন পরিদর্শন করে তিন দিনের মধ্যে ওই কমিটিকে বিভাগীয় দপ্তরে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে এ ক্ষয়ক্ষতির বিবরন পেশ করা হয় । তাছাড়া বন বিভাগের দপ্তরের পাশে রোপনকৃত গাছ উপড়ে পড়লেও প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেওয়া গাছের তেমন ক্ষতি হয়নি।’ ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে বরাদ্ধ সাপেক্ষে তা মেরামত ও সংস্কার করা হবেও বলে জানান এ কর্মর্কতা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil