বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:০৫ অপরাহ্ন

আবাসিক এলাকায় রিক্সা ভ্যান সাইকেলের হাট, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২০, ১১.২৭ পিএম
  • ১৮০ বার পঠিত

মোঃ আরিফ শেখ, রংপুর প্রতিনিধিঃ

রংপুরের বদরগঞ্জ পৌরশহরের মধ্যে সবচাইতে জনবহুল মহল্লা হচ্ছে বালুয়াভাটা। এখানে বসবাস করেন কয়েক হাজার মানুষ। অথচ, যে মুল সড়কটি দিয়ে এ মহল্লার মানুষ যাতায়াত করেন এর প্রবেশ পথেই বসে রিক্সা, ভ্যান ও বাইসাইকেলের হাট। এতে করে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারি কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীসহ স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী ও মহল্লাবাসিরা। শুধু তাই নয়, করোনা মহামারির এই সময়ে মুল সড়কের উপর ক্রেতা-বিক্রেতাদের জটলায় মহল্লাবাসি পড়েছেন চরম বিপাকে।

এলাকাবাসির দাবি, মুল সড়কের উপর সাইকেল-ভ্যান হাটি সরিয়ে অন্যত্র স্থাপনের। এ বিষয়ে এলাকাবাসি রংপুর জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহি অফিসার, পৌরসভার মেয়র ও বদরগঞ্জ থানা বরাবর লিখিতভাবে গনস্বাক্ষর সম্বলিত অভিযোগও করেও ফল পাচ্ছেনা। বালুয়াভাটা মহল্লার স্থায়ি বাসিন্দা ও বদরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক সাইফুর রহমান রানু সাথে,তিনি জানান, আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি এই জনবহুল আবাসিক এলাকা হতে সাইকেল হাটিটি অন্যত্র সরানো হোক।

তিনি আরও জানান, এই রাস্তা দিয়ে আমাদের যাতায়াতে খুব কষ্ট হয় এবং মাঝে মধ্যে দুর্ঘটনাও ঘটে। বালুয়াভাটা মহল্লার অপর বাসিন্দা আবু হানিফ ও মোকলেছুর রহমান জানান, জনবহুল আবাসিক এলাকার মুল সড়কের উপর সাইকেল হাটি বসাতে অনেক লোকের সমাগম হয়। এতে করে বালুয়াভাটা মহল্লার মানুষদেরসহ আমাদের সন্তানদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের সময় বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। তার উপর করোনা মহামারির এই সময়ে বহিরাগত মানুষের সমাগম আমাদের আরও দূঃচিন্তার মধ্যে ফেলেছে। বদরগঞ্জ হাটবাজার ইজারাদার রবিউল ইসলাম রবির সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোন রিসিভ না করায় তার কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

বদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহি অফিসার মেহেদী হাসান জানান, জনস্বাথের্র দিক বিবেচনা করে দ্রুত  আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil