শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৬:০২ পূর্বাহ্ন

 আম পাড়াকে কেন্দ্র করে  চাচাতো ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেলো রাজিবের

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২০, ১০.০৯ পিএম
  • ৩০৯ বার পঠিত

আলমগীর তালুকদার ভূঞাপুর (টাংগাইল) টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে আম পাড়াকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী জহুরুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি মেহেদী মোস্তফা রাজিব (৩২) চাচাত ভাইয়ের হাতে খুন হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলার ফলদা ইউনিয়নের গাড়াবাড়ি গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আম পাড়াকে কেন্দ্র করে চাচাতো ভাই জিহাদ (২৭) তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে। নিহত রাজিব ওই গ্রামের বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত গোলাম মোস্তফার ছেলে। স্থানীয়রা জানান, দুপুরে রাজিবের মায়ের সাথে অাম পাড়াকে কেন্দ্র করে সামান্য কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে জিহাদ ক্ষিপ্ত হয়ে ঘরে থাকা ছুরি দিয়ে তার মাকে আঘাত করতে গেলে বাঁধা দেয় রাজিব। এসময় রাজিব কিছু বুঝে উঠার অাগেই তাকে ছুরিকাঘাত করে জিহাদ। এতে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। পরে দ্রুত তাকে প্রথমে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আশা হয় পরে ভয়াভহ অবস্থা দেখে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকালে তার মৃত্যু হয়। এ বিষয়ে নিহত মেহেদি মোস্তফা রাজিবের বন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠী শোভন জানান, রাজিব ২০০৬-২০০৭ সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অাইন বিভাগে জহিরুল হক হলের অাবাসিক ছাত্র হিসাবে ভর্তি হন। এরপর সে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে রাহাত-সমুন পরিষদের হল শাখার অাইন বিষয় সম্পাদক ও পরে রিফাত-জয় পরিষদের হল শাখার সহ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি অারও জানান, মেহেদি মোস্তফা নম্র ও স্বল্পভাষী স্বাভাবের ছেলে ছিল। এছাড়া সে অাইনজীবি হিসাবে পরীক্ষায় অংশ নিলেও এখনও কর্মজীবন শুরু করেননি সে। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ভূঞাপুর থানার ওসি মো.রাশিদুল ইসলাম জানান, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মারা যাওয়ায় সেখানেই তার ময়না তদন্ত সম্পন্ন হবে। আইনী বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil