বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০৪:১০ পূর্বাহ্ন

আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দেওয়াই স্বার্থকতা : আজিবর রহমান

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৮ মে, ২০২০, ৩.৩২ পিএম
  • ২০৩ বার পঠিত
এম আহসানুর রহমান ইমন:  আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার মধ্যেই রয়েছে জীবনের স্বার্থকতা। জীবনের উদ্দেশ্য শুধু নিজেকে সুখী করা নয় বরং উদ্দেশ্য হওয়া উচিত অন্যকে সুখী করা। কথায় আছে পৃথিবীতে দান করে কিংবা মানবসেবা করে কেউ কখনো গরীব হয়নি। বরং গরীব মানসিকতার মানুষরাই কখনো কারো জন্য কিছু করতে পারেনি। পৃথিবীতে সেই মানুষগুলো সবচেয়ে সুখের কাছে যেতে পেরেছে যারা নিজেদেরকে আর্তমানবতার সেবায় বিলিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। নিজের জন্য নয় সমাজ ও মানুষের মাঝে সেবা করা সবচেয়ে বড় আনন্দ। কথাগুলো বললেন প্রেসক্লাব, বেনাপোল এর সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট আলীগ নেতা শার্শা উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক এম আজিবর রহমান। বেনাপোল পৌরসভা ২নং ওয়ার্ডের বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শার্শা উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও প্রেসক্লাব বেনাপোল এর সাধারণ সম্পাদক এম আজিবর রহমান আরো বলেন, সমস্থ পৃথিবী জুড়ে যখন করুনা ভাইরাসে মানুষ গৃহবন্দী। এর ব্যত্যয় ঘটেনি বাংলাদেশেও। আর এই সময় সবচেয়ে বেশী অসুবিধায় পড়েছে খেটে খাওয়া দিন মজুর। এরা করোনা ভাইরাসের কারনে ঘর থেকে বের হতে না পেরে তাদের মুজুরী কাজে লাগাতে না পেরে অর্ধাহারে অনাহারে দিন কাটাচ্ছে পরিবার পরিজন নিয়ে। এমনই ক্ষুধার্থ মানুষকে দেখে আজিবরের মন কেঁদে উঠে। সোমবার সকালে মোঃ এম আজিবর রহমান তার নিজ অর্থায়নে নামাজ গ্রামের একশত গরীব দুঃখী মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরন করেন ।
এ ব্যাপারে ওই গ্রামের আলেয়া বেগম বলেন আমি খুব অসহায়। আমি বাড়ি বাড়ি খেটে খাই। এখন কি যেন এক রোগ আইছে কেউ কাজে নেয় না। না খেয়ে দিন যায় । হাসি মুখে জিন্নাহ বলল আল্লায় বাঁচায় রাখুক। আমাকে যে চাল ডাল দিয়েছে তাতে আমার অনেকদিন চলে যাবে। এ ব্যাপারে আজিবর রহমান বলেন, আমি অনেক কষ্টে দুঃখে বড় হয়েছি। অভাবের সাথে সংগ্রাম করেছি। আজ আর আমার অভাব নেই। আল্লায় আমাকে যা দিয়েছে আমার চাওয়ার চেয়ে অধিক দিয়েছে। আমার গ্রামের মানুষ না খেয়ে আছে এই সংবাদে আমার হৃদয় কেঁদে উঠে। তখন আমি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অনুমতি সাপেক্ষে আমার যতটুকু তওফিক আছে ততটুুক তাদের মাঝে বিতরন করেছি। আর এরপর ও করোনার দুর্যোগ যদি না কাটে আমি আবারও আমার গ্রামের মানুষের প্রতি সাহয্যর হাত বাড়িয়ে দিব। আমার শেষ সম্বল থাকতে একটি লোককে ও না খেয়ে মরতে দিব না। যেয়ে দেখা যায় প্রায় অর্ধশত লোক চাউল, ডাউল, পিয়াজ, মরিজ, তেল, সেমাই, চিনি , ডালডাসহ ১৯ রকমের আইটেম প্যাকেট করছে। আর বাড়িতে সারিবদ্ধ ভাবে লোক এসেছে স্লিপ হাতে ওই সামগ্রী নিতে।
এরই মধ্যে আজিবর রহমান ঘর থেকে বের হয়ে বলল সরকার এত লোক এক জায়গায় হতে নিষেধ করেছে। আপনারা বাড়ি যান আমি বাড়ি বাড়ি এখনই আপনাদের ত্রান সামগ্রী পৌছে দিচ্ছি। এরপর কয়েকটি ভ্যান যোগে ওই পন্য সামগ্রী আজিবর রহমান তার লোক দিয়ে পৌঁছে দেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil