শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন

ইবির সুফিয়া খালার ঔষধ কেনার টাকা নাই….

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২০, ১০.২১ পিএম
  • ৯৪ বার পঠিত

দিদারুল ইসলাম রাসেল,ইবি প্রতিনিধিঃ

নোভেল করোনা ভাইরাসের কারণে লক্ষ লক্ষ মানুষ যেমন কর্মহীন হয়ে পড়ছে তেমনি মৃত্যুর মিছিলে যুক্ত হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ।অনেকে আবার কাজ না পেয়ে আত্নহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে।কেউ বা খাবার খেতে না ক্ষুধার্ত অবস্থায় দিনের পর দিন পার করছে।আর অসুস্থদের ঔষধ কেনার টাকার কথা নাই বললাম।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়(ইবি) খালেদা জিয়া হলের সামনে সুফিয়া খাতুন ওরফে মোটাখালার দোকান ছিল।দোকান থেকে উপার্যিত অর্থ দিয়েই তিনি জীবন যাপন করতেন।দীর্ঘ দিন ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় তার আয়ের পথও একেবারে বন্ধ।তিনি এখন খুব অসুস্থ কিন্তু ঔষধ কেনার মত টাকা নাই।

গত সোমবার(০৮ জুন) ইবিয়ান গ্রুপে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী হানিফ হোসাইন সুফিয়া খালাকে নিয়ে পোষ্ট দেয়।

জানা যায়,সুফিয়া খালা খালেদা জিয়া হলের সামনের দোকানে চা,পান,আলুর চপ,পিয়াজু,ডিমের চপ বিক্রি করতেন।সারাদিনের উপার্যিত অর্থ দিয়েই দিন অতিক্রম করতেন।এখন তার নিজের খরচ ও ঔষধ কেনার মত টাকা নাই।

জানা গেছে,সুফিয়া খালার কোন সন্তান নাই।বিবাহের প্রথম স্বামী তাকে ছেড়ে চলে যায়।পরর্বতীতে আবার বিবাহ করেন।কিন্তু সে স্বামীও তার কোন খোঁজ খবর নেয় না।

সুফিয়া খালার সাথে কথা বলে জানা যায়, আমার কেউ নেই। ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরাই আমার সন্তান। তাদের মাঝে পিঠা,চা, আলুর চপ বিক্রি করে চলি। কিন্তু করোনা সংক্রমণ বাড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে গেলে আমার আয়ের উৎস বন্ধ হয়ে যায়। আমি ডায়াবেটিস, গ্যাষ্টিক সমস্যা সহ নানারোগে জর্জরিত। প্রতি মাসের আমার ১৫০০ টাকার ঔষুধ লাগে। নিজের ব্যাক্তিগত কোন আয় না থাকা ও আর্থিক কোন সহযোগিতা না পাওয়ায় আমার চলতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা যদি আমায় কিছু অর্থ দান করে তাহলে আমি নিয়মিত ওষুধ খেতে পারতাম।
উল্লেখ্য, তিনি দীর্ঘ ২২ বছর ধরে ক্যাম্পাসে থাকেন।আমাদের মানবিক দিক বিবেচনা করে সাহার্য্যের হাত প্রসারিত করা খুব দরকার।

তার বিকাশ নাম্বার (পারসোনাল)ঃ ০১৭৭৩৮৭৯৭২৩।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil