বুধবার, ২৩ জুন ২০২১, ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন

ইসলাম ও অশ্লীল বাক্য লেখক কবি মুজিবুর রহমান

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২০, ৫.৫৩ পিএম
  • ১৪৭ বার পঠিত

আবুল হুসেন সাজুঃ মৌলভীবাজার থেকে। 

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ১নং খলিলপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড বাগারাই গ্রামের বিশিষ্ট সমাজ সেবক, স্কলার্স কে,জি এন্ড উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক বর্তমান সময়ের আলোচিত একজন পরিচিত ও তরুণ লেখক কবি মুজিবুর রহমান এর চিন্তাভাবনায় ইসলাম ও অশ্লীল বাক্য    নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হলো।

ইসলামের দৃষ্টিতে অন্যকে গালি দেওয়া সম্পূর্ণ হারাম। আর তা যদি হয় বিনা অপরাধে, তাহলে তা আরো জঘন্য অপরাধ। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, যারা বিনা অপরাধে ঈমানদার পুরুষ ও নারীদের কষ্ট দেয়, তারা অবশ্যই মিথ্যা অপবাদ ও স্পষ্ট অপরাধের বোঝা বহন করে। (সুরা আহজাব, আয়াত : ৫৮)
সভ্য মানুষ অন্যকে গালি দেয় না। অশ্রাব্য ভাষায় কারো সঙ্গে কথা বলে না। ইসলামে যে কোনো কারণেই হোক, কাউকে গালি দেয়ার অনুমতি নেই। হাসি-কৌতুক ও ঠাট্টাচ্ছলেও অন্যকে গালি দেয়া ইসলামের দৃষ্টিতে অশোভনীয়। যার মধ্যে চারটি অভ্যাস আছে তাকে হাদিসে মুনাফিক বলা হয়েছে। এগুলোর কোনো একটি পাওয়া গেলেও সে মুনাফিক হিসেবে গণ্য হবে। হাদিসের আলোকে সেগুলো হলো- * যখন তাকে বিশ্বাস করা হয়, সে বিশ্বাস ভঙ্গ করে। * কথা বললে, মিথ্যা বলে। * অঙ্গিকার করলে ভঙ্গ করে এবং * বিবাদ-বিতর্কে উপনীত হলে অন্যায় পথ অবলম্বন করে। (বুখারি, হাদিস নং-34)

 

গালাগালি কোন বিষয়ের সমাধান নয়, ভদ্র মানুষ কখনো কোনো কারণে গালাগালিকে হাতিয়ার হিসেবে অবলম্বন করে না, গালাগালি সমাধানের পরিবর্তে পরিস্থিতি আরো জটিল করে তুলে, আল্লাহ পাক পবিত্র কোরআনে বলেন- যারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্যের উপাসনা করে তোমরা তাদেরকে গালি দিও না। কারণ তাহলে তারাও আল্লাহ কে গালি দিবে অজ্ঞতা বশত, এতে কোন সমাধান আসবে না। মানুষ সামাজিক জীব। জীবনযাপনে একজনের সাথে আরেকজনের মিল নাও হতে পারে অথবা একজন আরেকজন দ্বারা অজ্ঞতা বশত ক্ষতির স্বীকার হতে পারেন, এজন্য প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে গালাগালি, অশ্লীল, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা ইসলাম সমর্থন করে না, এটা ইসলামের শিষ্টাচারের পরিপন্থী। এক্ষেত্রে ইসলামের নির্দেশনা হলো- পারলে ক্ষমা করে দাও, এতে তোমার অনেক সওয়াব হবে। কেয়ামতের ময়দানে আল্লাহ ও তোমাকে ক্ষমা করে দিবেন। আর না হয় চুপ থাক, ধৈয্যের সওয়াব পাবে।

দ্বীন ইসলামের প্রচার করতে নবীরা অনেক গালিগালাজ শুনেছেন, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হয়েছে, তাদের উদ্দেশ্য অশ্লীল বাক্য ছুড়ে দেওয়া হয়েছে, কখনো তারা পালটা জবাব দেননি, হাসিমুখে বরণ করেছেন। আমাদের নবীজী সাঃ সারা জীবনে কাউকে কোন কারণে একটি গালি দিয়েছেন এমন নজির কেউ দেখাতে পারবেনা। এমনকি সাহাবায়ে কেরাম গালি দিয়েছেন বলেও কোনো প্রমাণ নেই।
গালিগালাজ করা কোনো সুস্থ মানসিকতার পরিচয় নয়। গালি সম্বন্ধে হজরত রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন এমন দুই ব্যক্তি, যারা একে অপরকে গালমন্দ করল, তখন ওই গালির পাপ সে ব্যক্তির ওপরই পতিত হবে, যে প্রথমে গালি দিয়েছে।
আল্লাহ তাআলা আমাদের গালমন্দ ও অশ্লীল বাক্য-বিনিময় থেকে রক্ষা করুন। মার্জিত ভাষা ও শ্রুতিমধুর শব্দ ব্যবহারের তাওফিক দান করুন।
#মুজিবুর রহমান

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে আজই যোগাযোগ করুন, 👇👇

মোবাইলঃ
+601121343215 (ইমু) (হোয়াটসঅ্যাপ)

মোবাইলঃ 01707177591 (ইমু) (হোয়াটসঅ্যাপ)

ই-মেইলঃ- rupantornewsbd@gmail.com

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil