শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১, ১০:০৫ পূর্বাহ্ন

কমলনগরে অবৈধভাবে চলছে কিটনাশক সহ সিলিন্ডার গ্যাসের ব্যবসা

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৩.৪৭ পিএম
  • ১৮৩ বার পঠিত

এম.শাহরিয়ার কামালঃ 

পেট্রল ডিজেল কিটনাশক সার সহ বিভিন্ন দোকানে চলছে গ্যাস সিলিন্ডারের
রমরমা ব্যবসা।
এতে করে নিজেকে শেষ করে দেয়া বিপদগামিরাও খুব সহজেই পাচ্ছে কিটনাশক বা (বিষ) জাতীয় দ্রব্য।

পুরো কমলনগরের প্রতিটি ইউনিয়নে গ্রামীন সড়কের মোড়ে-মোড়ে গড়ে উঠা প্রায়সব দোকানগুলোতে প্রকাশ্যেই এসব বিষ জাতীয়
কিটনাশক ও সিলিন্ডার গ্যাস কেনাবেচা করতে দেখা যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাই এর জন্য দায়ী এমনটাই বলছেন ওয়াকিবহাল মহল। পাশাপাশি এদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবী স্থানীয়দের।
প্রতিবেদন প্রকাশের স্বার্থে উপজেলার হাজির হাট,করুনানগর,লরেন্স,করইতলা,তোরাবগঞ্জ,মুন্সিরহাট মতির হাট,শান্তিরহাট,চৌধুরীবাজার,ফজুমিয়ারহাট,ইসলামগঞ্জ,বাদামতলী,বটতলী,চরবসু বাজার ও গঞ্জের একাদিক দোকানে অনুসন্ধান করে দেখা যায়,বয়লার মুরগীর ব্যবসায়ের পাশাপাশি বিক্রি করছেন পেট্রল- আবার গ্যাস সিলিন্ডার,ঔষদের ফার্মেসীতেও রয়েছে পেট্রল আবার বিক্রয় হচ্ছে সিলিন্ডারের গ্যাস। খাবারের হোটেলেও বিক্রয় হচ্ছে বোতলজাত পেট্রল,এমনকি চা-য়ের দোকানে রাখা হচ্ছে পোল্টি মোরগও।
মনে হচ্ছে উপজেলা প্রশাসন ও খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের নজরদারীর অভাবে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই চলছে এসব কর্মকান্ড।

এ বিষয়ে বিশিষ্ট জনদের অভিমত,লাইসেন্স বিহীন কিটনাশক বিক্রি সহ
খাবারের হোটেল রেস্টুরেন্ট ও বাসা বাড়িতে ব্যপকহারে সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহার হলেও মানুষ এখনো পর্যন্ত এর সঠিক ব্যবহারে জানেননা নিয়মনীতি।

সরকারী নির্দেশনা মতে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রিতে ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াও বিস্ফোরক অধিদপ্তরের লাইসেন্স ও অগ্নিনির্বাপক কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র নেয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু এখানে নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছেনা কেউ।

নিরাপত্তামুলক ব্যবস্থা ও লাইসেন্স ছাড়াই এসব এলাকায় ঝুঁকি নিয়ে চলছে সিলিন্ডার গ্যাস সহ কিটনাশক ব্যবসা।অবস্য এ ব্যপারে জেলা- উপজেলা ও ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে সচেতনতা সৃষ্টিতেও তেমন কোন কর্মসূচি চোখে পড়েনি এমনটাই অভিযোগ স্থানীয়দের।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের এক ব্যক্তি বলেন,
স্যানিটারী কর্মকর্তা -ফায়ার সার্ভিস ও উপজেলা প্রশাসনের সঠিক তদারকির অভাব ও উদাশহীনতার জন্যই এসব দোকান গড়ে উঠেছে। আবার মাঠ পরিদর্শকের উৎকোচ গ্রহন করার নিয়ম চালু থাকায় নির্বিঘ্নে চলছে এসব কর্মকান্ড। দ্রুত এদের নিয়মের আওতায় আনার দাবী জানান তারা।

এ বিষয়ে কমলনগর উপজেলা নিরাপদ খাদ্য নিয়ন্ত্রক(স্যানিটারী) ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন ভোরের কাগজকে বলেন,চায়ের দোকানে বয়লার মুরগীর ব্যবসা করা সম্পূর্ণ নিয়ম পরিপন্থি। একাধিক দোকানে গিয়ে সচেতন করা সহ মুরগীর ব্যবসা আলাদা করে দিয়েছি। তারপরেও কোনভাবেই এসব ব্যবসায়ীদের মানষিকতার পরিবর্তন করা সম্ভব হচ্ছেনা বলে জানান এ কর্মকর্তা।
কমলনগর উপজেলা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ইন্সপেক্টর নুর আলম বলেন, খোলা বাজারে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রির ক্ষেত্রে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা সহ পরিবেশ ছাড়পত্র ও তৎসংশ্লিষ্ট লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামুলক।
এছাড়া ইউএনও বরাবর চিঠি লিখে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করার জন্য সুপারিশ করেছি।
ইতোমধ্যে উপজেলার প্রতিটি বাজারের বনিক সমিতির সভাপতি-সম্পাদক বরারব চিঠি পাঠানো হয়েছে।
বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দিয়েএর প্রতিকারের আশ্বস্ত করেন তিনি।
কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও মো:মোবারক হোসেনকে একাধিকবার ফোন করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil