রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ১১:০০ পূর্বাহ্ন

কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরী

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২০, ৬.৩৭ পিএম
  • ৮৪ বার পঠিত

এজি লাভলু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রাম জেলা থেকে উধাও হয়ে গেছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এর চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে দোকানগুলোতে। এমন পরিস্থিতিতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরী করতে এগিয়ে এসেছে কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

২৪ মার্চ কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল মান্নান। এসময় উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম পৌরসভার পৌর মেয়র আব্দুল জলিল, কলেজের উপাধ্যক্ষ মীর্জা নাসির উদ্দিন, রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সাইফুর রহমান, সহকারি অধ্যাপক প্রশান্ত কুমার পাল ও মুজিবুর রহমান, কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি এ্যাড. আহসান হাবীব নীলু, সাধারণ সম্পাদক খ.ম. আতাউর রহমান বিপ্লব, কুড়িগ্রাম টেলিভিশন রিপোর্টার্স ফোরামের আহবায়ক হুমায়ুন কবির সূর্য প্রমুখ।

দেশের এ সংকটে মানুষের পাশে দাঁড়াতে পেরে খুশি কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এই বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী সোহাব হোসেন ও হাসানুর রহমান জানান, আমরা প্রায় ১৩/১৪ জন শিক্ষার্থী এবং ৩ জন শিক্ষক গত সোমবার থেকে কাজ শুরু করেছি। আজ আমরা প্রডাকশনে গিয়েছি। সবাই আন্তরিকভাবে কাজ করছি। অন্যান্য কলেজের শিক্ষক/শিক্ষার্থীরা হ্যান্ড সানিটাইজার তৈরিতে এগিয়ে এলে করোনা প্রতিরোধে সবাই দায়িত্ব নিতে পারি।

রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সাইফুর রহমান জানান, আমরা ইতোমধ্যে ২০টি হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করেছি। আমাদের টার্গেট রয়েছে ২ হাজার বোতলের। কিন্তু বাজারে স্প্রে-বোতলের সংকট দেখায় কতদূর এগুতে পারবো জানিনা। তিনি আরো জানান ইথানল, হাইড্রোজেন পার অক্সাইড ও গ্লিসারোল দিয়ে ডব্লিউএফডি’র নির্দেশনা ও ফর্মূলা অনুযায়ী হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করছি। প্রতিটি বোতল তৈরী করতে ৫০ টাকা খরচ হচ্ছে বলে জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil