বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন

গাজীপুরে বিভিন্ন এলাকায় লকডাউন’র নামে চলছে ভেল্কিবাজী : কে শুনে  কার কথা, শারীরিক দূরত্ব মানছে না কেউই

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২০, ১০.১৯ পিএম
  • ৬৩ বার পঠিত

আশরাফুল আলম আইয়ুব: বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে বৈশ্যিক ধারাবাহিক বিপর্যয়ের পরও সরকারের বেঁধে দেয়া বিধিনিষেধ মানছে না অনেকেই। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গাজীপুরের বহু এলাকায় নিজেরাই শক্ত করে বাঁশের বেড়া দিয়ে আটকিয়ে রেখেছে। এতে করে বাহিরের কেউ এলাকায় প্রবেশ করতে পারছে না। এমনকি এলাকারও কেউ কোথাও যেতে পারবে না, ধারণা এমনটাই। এদিকে সরকারের বেঁধে দেয়া নিয়মে দুপুর পর্যন্ত স্থানীয় দোকানপাট খোলা থাকলেও সামাজিক বা শারীরিক দূরত্ব মানছে না কেউ। যে যার যার মতো করে অসচেতনভাবে চলাফেরা করছে। মাঝে মধ্যে ভ্রম্যমাণ আদালত অর্থদন্ড করলেও কয়েক ঘন্টার জন্য এলাকা থাকে থমথমে, মানুষজন হয়ে পড়ে ঘরবন্দী, লোক চলাচল হয়ে যায় স্থবির । পরক্ষণে আবার যেই সেই।

এলাকাবাসীর এধরণের কালক্ষেপণ নিজের উপরই যে ভয়াবহ পরিণতি বর্তায় তা মনে হয় এখনো আঁচ করতে পারছে না তারা। এর প্রেক্ষিতে সচেতন মহলের কেউ কেউ আক্ষেপে বলেন, এলাকায় দুয়েকজন করোনা রোগী শনাক্ত না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই অবাধ চলাচল বন্ধ হবে বলে মনে হয় না। ওই মহলটি আরও মনে করেন, যে সকল এলাকায় বাঁশের বেড়া দিয়ে লকডাউন করা হয়েছে সেই সকল এলাকায় অবাধে চলছে দোকানপাটে বেচাকেনা। সকাল এবং সন্ধায় দোকানগুলো মানুষে রমরমা হয়ে উঠে।

স্থানীয় একাধিক মহল জানিয়েছেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত, সেনাবাহিনী বা পুলিশ আসার আঁচ পেলেই তারাহুড়ো করে দোকানগুলো বন্ধ করে দেয়। এর ভয়াবহতা লক্ষ করা গেছে গাজীপুর সিটির ৩৯, ৪০,৪১ ও ৪২ নং ওয়ার্ড এবং এর আশপাশের গ্রামগুলোতো। অপরদিকে গাজীপুর সদরের ৪টি ইউনিয়নের প্রায় সবগুলো গ্রামের অবস্থা একই, ঘাটতি রয়েছে সামাজিক ও শারীরিক দূরত্বের। তাই ওই এলাকাগুলোতো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যদি কঠোর অবস্থানে না যান তবে সামনের দিনগুলোতে বিপদের সমূহ সম্ভাবনা দেখা দিবে এমনটাই ধারণা করছেন সচেতন মহল।।

 

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil