শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন

চরফ্যাশনে কৃষি কর্মকর্তার দূর্নীতি চিত্র- ১

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৮ মে, ২০২০, ৭.৫২ পিএম
  • ৯৬ বার পঠিত
বিশেষ প্রতিনিধি : অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলা শশীভূষন থানা জাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদের ১ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মোঃ সালাউদ্দিন মেম্বার ও জাহানপুর ইউনিয়ন ১,২ ও,৩, নং ওয়ার্ড মহিলা মেম্বার শাহিদা আক্তারের স্বামী মোঃ আলমগীর সহ অসহায় দরিদ্র কৃষকের সার দীর্ঘদিন বিক্রি করার ৭মে তারিখে দুপুর ১২:০০ ঘটিকায় সার বিক্রির করার অপরাধে ২১৩ কেজি সার সহ ২ জনকে আটক করেন উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোঃ শাহিন মাহমুদ। অবশেষে এটা সমাধানের জন্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু হাসনাইন কে দায়িত্ব দেয়া হয়। কিন্তু পর্যাপ্ত প্রমান ও অভিযোগ থাকা সত্বেও কোনো আইনি ব্যাবস্থা গ্রহন না করে জাহানপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কে ডেকে এনে উপজেলা পরিষদে সাধারন ক্ষমা করে মুক্তি দেয়া হয়েছে দুজনকে বলে জানান কৃষি কর্মকর্তা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা জানায়,স সলাউদ্দিন মেম্বার ও আলমগীর দীর্ঘদিন যাবত এভাবে সন্ধায় এক রিক্সাওয়ালার মাধ্যমে সারগুলো দোকানে দোকানে বিলি করেন এবং রাত হলে দোকান থেকে টাকা নিয়ে যায়। আর দোকানদাররা এসব সার কৃষকদের মাঝে বিক্রি করেন। প্রমান সাপেক্ষে আটকের পর এদেরকে ছেড়ে দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।তারা বলছেন টাকার বিনিময়ে রফাদফায় ও রাজনৈতিক ক্ষমতায় এরা মুক্তি পেয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। সচেতন মহলের প্রশ্ন,সার পাওয়া যায় ২১৩ কেজি অভিযুক্তরা স্বীকারও করেন। কিন্ত অভিযুক্ত মেম্বার বলেন সেখানে ৬জন কৃষকের সার।তার বক্তব্য অনুযায়ি জন প্রতি ৩০কেজি করে বিতরন করলেও প্রয়োজন ১৮০ কেজি।তবে বাকি ৩৩কেজি সার কোথায় থেকে আসলো এবং কিভাবে আসলো? এটা কি পর্যাপ্ত প্রমান নয়? এদিকে যে রিক্সাওয়ালা সরকারি সারগুলো মেম্বারের নির্দেশে দোকানে দোকানে পৌছে দিতেন এ বিষয়টি আমাদের সংবাদকর্মীর কাছে স্বীকার করে নিশ্চিত করেছেন। রফাদফায় মুক্তির অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে চরফ্যাশন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি বলেন, মেম্বার এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে এরকম কাজ করার জন্য শাশানো হয়। বিষয়টি তেমন বড় নয় তাই আইনি ব্যাবস্থা গ্রহন করা হয়নি।পরবর্তীতে এরকম বড় কোনো ঘটনা ঘটলে আইনি ব্যাবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরও বলেন আপনারা সংবাদকর্মী যদি এই বিষয়ে টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেন। তাহলে আমাদের সমজে মান সন্মান হানি হবে বলে জানান। এভাবে সরকারি কর্মকর্তারা সরকারি রাজস্ব নিয়ে দুর্নীতি করলে। এই সমাজ দুর্নীতিতে ভরে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন। স্থানীয় লোকজন স্থানীয় লোকজন আরও বলেন এ ধরনের দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এই বিষয় নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দৃষ্টি কামনা করেছেন সর্বস্তরের জনগণ। যাহাতে আর সরকারি মাল লুটপাট না হয় তাই হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil