শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন

চরফ্যাশনে নির্বাহী অফিসার কে দুর্নিতির তথ্য দেয়ায় সাংবাদিককে প্রাননাশের হুমকি

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২০, ৯.০৬ পিএম
  • ২২৭ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার (ভোলা): ভোলা চরফ্যাশনে নিশিদ্ধ সময়ে প্রকাশ্যে ইলিশ মাছ বিক্রির তথ্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে দেয়ায় তরুন সাংবাদিক জিহাদুল ইসলামকে প্রাননাশের হুমকি দেয় বাজার কর্তৃপক্ষ।

হুমকির শিকার সাংবাদকর্মী জানায়,নিশিদ্ধ সময়ে প্রতিদিন কাশেমগন্জ বাজারে প্রকাশ্যে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে এমন এক গোপন তথ্যের ভিত্তিতে কাশেমগন্জ বাজারে যাই সংবাদ সংগ্রহ করতে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখি করোনা ভাইরাস সচেতনতায় সমস্ত বাজার বন্ধ থাকার কথা বলা থাকলে সেখানে তখনও প্রচুর জনসমাগম এবং প্রকাশ্যে ইলিশ বিক্রি চলছে।তখন পুরো দৃশ্যটি ক্যামেরাবন্ধি করি।এবং ইলিশ মাছ ব্যাবসায়ী সুমনের সাথে কথা বলি সে বলে নির্বাহী অফিসার ও মৎস্য অফিসার নাকি সেখান থেকে মাছ নেয়।

এ তথ্যটিও আমি ক্যামেরাবন্ধি করি।সেখানে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানায় যে এই বাজারে প্রতিদিন এভাবেই মাছ বিক্রি করা হয় এবং প্রশাসন টহল আসার ৫মিনিট আগেই ব্যাবসায়ীরা তথ্য পেয়ে যায় তাৎক্ষনিং মাছগুলো সরিয়ে নেয়।টহল চলে গেলে আবার বিক্রি চলে। এরপরে পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুহুল আমিন কে টেলিফোনে বিষয়টি অবগত করি।

তখন তিনি ফোর্স পাঠাবেন বলে আশ্বাস দেন।অনেকক্ষন অপেক্ষা করার পর পুলিশ পৌছে ঘটনাস্থলেতারা মটরসাইকেল বাজারের এক মাথায় রেখে বাসিঁর সিটি দিয়ে হেটে হেটে প্রবেশ করে বাজারের ভেতর।একভাবে বলা যায় অজানা কারনে মাছগুলো নিয়ে সামনে দিয়েই পালিয়ে যায় ব্যাবসায়ী।

উল্টো পুলিশরা আমায় প্রশ্ন করেন মাছ কোথায়? তখন তাদেরকে ক্যামেরাবন্ধি কিছুক্ষন আগের ছবিগুলো দেখাই।প্রতিউত্তরে তারা বলেন বলবে মাছ বিক্রি হয়ে গেছে।এরপর আমি সেখান থেকে চলে আসি।আর চলে আসার পরপরই শুরু হয় মোবাইল ফোনে ভিবিন্নভাবে হুমকি দেয়া।

এবং বাজার কতৃপক্ষের এক সদস্য মনির হাওলাদার আমার টেলিফোন নাম্বার না পেয়ে আমার এক পরিচিত জনকে টেলিফোনে আমাকে প্রাননাশের হুমকি ছুরে দেয়।সেই কল রেকর্ডিং এর কপি সংগ্রহ করি আমি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil