শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১, ০১:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

জনপ্রতিনিধিদের ঘুম ভাঙ্গানোর চেষ্টা সেচ্চেসেবী সংগঠন কুতুবপুর যুব কল্যান মিশনের

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২০, ৭.৪৫ পিএম
  • ২৭৬ বার পঠিত

পারবেজ আহমেদ শামীম, নিজস্ব প্রতিবেদক:-

বর্ষার মৌসুমে গ্রামগঞ্জে কাঁচা রাস্তাগুলো প্রায়ই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে উঠে। সঠিক রক্ষনাবেক্ষন না করলে জনগনের চলাচলে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। স্থানীয় সরকারের গ্রামীন রাস্তা সংস্করনে বরাদ্ধ থাকলে চলে যায় রাঘব বোয়ালের পেটে। হয় না গ্রামীন সড়কে সুষ্ঠ তদারকি।

গত ২৭ জুন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ১৫ নং লাহারকান্দী ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড কুতুবপুর গ্রামের কিছু মানুষের অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় যে রাস্তা চলাচলের কোন উপায় নেই। সাধারন পরিবহন রিক্সা, মোটরসাইকেল তো দূরের কথা, ঠিকমত হেঁটে চলাচল করতে হয় সুপারীর বাগান ভিতর দিয়ে, বলছিলাম ১৫ নং লাহারকান্দী ইউনিয়ন কুতুরপুর খাজুরতলী,ইদুলপুর এই ৩ টি গ্রামের সড়কের কথা। এই রাস্তা নিয়ে নেই কোন প্রদক্ষেপ। গত বছর এলাকাবাসী মানববন্ধন করে পায় নাই কোন ফলাফল। প্রতিবছরে বর্ষার মৌসুমে ভোগান্তিতে পড়তে হয় জনসাধারন।


তবে সাম্প্রতিক জনগনের চলার কিছুটা উপক্রম তৈরি করল সেচ্চেসেবী সংগঠন কুতুবপুর যুব কল্যান মিশন।এলাকাবাসীর অর্থায়নে এবং সেচ্চাসেবী সংগঠনের সহোযোগিতায় ইটের খোয়া দিয়ে কর্দমাক্ত রাস্তায় জনগনের চলাচলের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।

সেচ্চাসেবী সংগঠন কুতুবপুর যুব কল্যান মিশনের সহ সভাপতি পারবেজ আহমেদ শামীম হাওলাদার যখন ভোট আসে মেম্বার চেয়ারম্যান গন কত রকম আশারবানী শোনায় জনগনদের ভোটে পাশ করার পর দেখা মিলে না বছরে ১ বার ।

সরকার প্রতিবছর হাজার কোটি টাকা বরাদ্ধ করে, কিন্তু জনপ্রতিনিধিরা তা সুষ্ঠ ভাবে বন্টনের মাধ্যমে রক্ষনাবেক্ষন না করার কারনে গ্রামীন জনগন দূর্ভোগে পড়তে হয়। তাই আমারা সাধ্যমত যতটুকু পেরেছি চেষ্টা করেছি। যেখানে জনপ্রতিনিধিরা ঘুমিয়ে আছে সেখানে আমাদের মত তরুনরা এগিয়ে আসা জরুরী।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil