শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন

তারাগঞ্জে পণ্যের দাম স্বাভাবিক, ক্রেতা শূন্য বাজার- রুপান্তরবিডি

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২০, ৬.৩৬ পিএম
  • ৫৯ বার পঠিত

মোঃ আরিফ শেখ,রংপুরঃ করোনা ভাইরাসের কারণে বাজারে ভিড় নেই। সব জিনিস পত্রের দাম স্বাভাবিক। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সামাজিক দূরুত্ব বজায় রাখা ও ঘরে অবস্থান নিশ্চিত করতে এরই মধ্যে রংপুরের তারাগঞ্জে চলাচলে নিয়ন্ত্রণ এনেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না লোকজন। যার প্রভাব পড়েছে বাজারে। মানুষের উপচে পরা ভিড় নেই, বাজার অনেকটা ক্রেতা শূন্য।

আজ (২২ এপ্রিল) উপজেলার কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত পাঁচ-ছয় দিনের উপচে পড়া ভিড়ের তুলনায় আজ বাজার ছিল ফাঁকা। নিত্যপণ্য ও ওষুধের দোকান ছাড়া সব দোকান বন্ধ রয়েছে। বাজারে শাক-সবজি সহ অন্যান্য জিনিসপত্রের দাম আগের মত থাকলেও ব্যতিক্রম ভাবে বেড়েছে লেবুর দাম।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শরীরে বৃদ্ধি করায় লেবু খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু বর্তমানে বাজারে লেবুর সরবরাহ কম থাকায় বেড়েছে বাজার দর। আগে যে লেবু বিক্রি হতো ২০ টাকা হালি সেই লেবু এখন ৪০ টাকা। আর ৩০ টাকা হালির লেবু ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তারাগঞ্জ বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী আরিফুল ইসলাম বলেন, হঠাৎ করে লেবুর চাহিদা বেড়ে গেছে। আগে যিনি লেবু কিনতেন না বা এক হালি লেবু নিতেন, এখন তিনি এক ডজন করে লেবু কিনছেন। সবাই ডজন ডজন লেবু কেনায় এর দাম বেড়ে গেছে। আমরাও অনেক বেশি দাম দিয়ে কিনে এনেছি। যে লেবু আমরা সর্বোচ্চ ৪০ টাকা বিক্রি করেছি, এখন সেই লেবু দ্বিগুন দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে লেবু ছাড়া অন্য শাক-সবজির দাম একই রকম আছে। কোন কোন সবজি আগের চেয়ে কিছুটা কমেও বিক্রি হচ্ছে।

ইকরচালী বাজারের মুদি ব্যবসায়ী নুর-মোহাম্মদ বলেন, বাজারে এখন ক্রেতা অনেক কমে গেছে। মানুষ আতঙ্কিত হয়ে যা কেনার আগেই কিনে ফেলেছেন। এ কারণে বাজারে এখন ভিড় নেই। নিত্যপণ্যের দাম তেমন বাড়েনি, আগে যা ছিল এখনও তাই আছে।

বুড়িরহাট বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি, আলু ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজি, শশা ২০ টাকা কেজি, টমেটো ২০ টাকা, শিম ২০ টাকা, করল্লা ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ফুলকপি ২০ থেকে ২৫ টাকা পিস। দেড় কেজি ওজনের ইলিশ মাছ ১২০০ টাকা ধরে কেজি বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য মাছ স্বাভাবিক দামে বিক্রি হচ্ছে।

তারাগঞ্জ বাজার বণিক সমিতির সভাপতি জয়নাল আবেদীন আফান বলেন, প্রায় এক মাস যাবত ব্যবসায়ীরা করোনা ভাইরাস নিয়ে সুষ্ঠ ভাবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে পারছে না। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সরকারি নির্দেশনা অনুসারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান পাট সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখে পরিচালনা করছেন।

তারাগঞ্জ স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের কর্মকর্তা মোস্তফা জামান চৌধুরী বলেন, দেশের মহামারী প্রভাব ফেলছে খেটে খাওয়া দিন মজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষের উপর। এক দিকে সচেতনতা অপর দিকে খাবারের মান ও পুষ্টি নিয়ে নানা মতামত সৃষ্টি হয়েছে। তবে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন এটি কেবল একমাত্র করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের উপায়। খাবারের তালিকায় পুষ্টিমান সম্পন্ন ও ভিটামিন সি জাতীয় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে মানব দেহে সহায়তা করবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমিনুল ইসলাম বলেন, উপজেলার সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নিয়ম নীতিমালার মধ্যে কাঁচাবাজারের দোকান পাট তারাগঞ্জ সরকারি ডিগ্রী কলেজ মাঠে চলমান আছে। নিত্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের আমদানি বেশি হওয়ায় ক্রেতাদের নাগালে রয়েছে দ্রব্যমূল্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil