রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ১১:১১ পূর্বাহ্ন

তারাগঞ্জে ১৪৪ধারা অমান্য পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২০, ৬.১৫ পিএম
  • ১০৮ বার পঠিত

মোঃ আরিফ শেখ , রংপুর প্রতিনিধিঃ

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার ১৪৪ ধারা অমান্য করে টিনের চালা বেড়া ধানের বীজতলা ছমিলের প্রাচীর ও গাছপালা কেটে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে।
জানাগেছে, উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের ঘনিরামপুর বেলতলী গ্রামের আবেদ আলীর ছেলে আমিনুর রহমান দাদার সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে আমরা ভোগ দখল করে আসছি।

আকতারুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৭ টার সময় সিরাজুল ইসলাম আজিজুল ইসলাম আজহারুল ইসলাম মিজানুর রহমান মোতালেব হোসেন নাজমুল ইসলাম মিঠু মিয়া সহ কয়েকজন মিলে দলবদ্ধ আদালতের ১৪৪ধারা নির্দেশনা অমান্য করে জমিতে প্রবেশ করে। পরে ঘনিরামপুর মৌজার সাবেক দাগ নং ২৫০৬ হালদাগ নং ৩৭৪২ মোট ১৮ শতক জমির উপর নীর্মিত টিনের চালা বেড়া ধানের বীজতলা ছমিলের প্রাচীর ও গাছপালা কেটে নিয়ে যায় তারা। সাজু মিয়া বলেন, আমাদের জমির উপর আদালতের ১৪৪ জারি করা আছে। তার উপর আইন আমান্য করে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দা কুড়লি বল্লম সহ লাঠি সোডা নিয়ে হুমকি দেয়। পরে সিরাজুল ও তার বাহিনী আমাদের টিনের চালা বেড়া ধানের বীজতলা গাছপালা কেটে নিয়ে যায়। এদিকে আজিজুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, আমরা ত্রিশ বছর যাবত ওই জমি’র ভোগ দখল করছি। আমাদের জমির বেড়া গাছপালা আমরা কেটে নিয়ে গেছি। তাদের কাগজ পত্রের কোন হদিস নেই। আমিও ওই জমির উপর ১৪৪ ধারাা জারি করেছি।

ইউপি সদস্য আজহারুল ইসলাম বলেন, ওই জমি সংক্রান্ত দীর্ঘ দিনের ঝামেলা চলে আসছে। একাধিকবার ওই জমি নিয়ে আইনি পাল্টাপাল্টি অভিযোগের বিষয়ে জেনেছি। এসআই আবিদ হাসান বাদল বলেন, আমি আদালতের ১৪৪ ধারা জারি করে তাদের ওই জমির ব্যপারে সরকারি নির্দেশনা অবগত করেছি। বৃহস্পতিবার সকালে হঠাৎ করে টিনের চালা বেড়া কেটে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি জেনেছি। পরে মোবাইল টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil