মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ১০:১৬ পূর্বাহ্ন

নরসিংদীতে ওএমএস চাল অধিক মূল্যে বিক্রির অভিযোগে মহিলা ইউপি সদস্য শাহনাজ গ্রেফতার

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২০, ৮.০৯ পিএম
  • ২০৯ বার পঠিত

মোহাম্মদ ওমর ফারুক (নরসিংদী থেকে) : নরসিংদী মডেল থানাধীন নজরপুর ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য শাহানাজ বেগম অসৎ উদ্দেশ্যে তার শ্বশুড় ও স্বামী সিরাজুল ইসলামের নামে সরকারী অনুদান দেয়া খাদ্য বান্ধব কর্মসূচীর সুলভ মূল্য (ওএমএস) কার্ড ক্রয় এবং প্রায়ই অধিক হারে ওএমএস এর চাউল অসৎ উপায়ে সংগ্রহ করে মজুদ করে এবং মাঝে মাঝে কালো বাজারীর মাধ্যমে অধিক লাভে বিক্রয় করে।

রবিবার একই উপায়ে আসামী শাহানাজ বেগম (৪০) ও তার স্বামী-সিরাজুল ইসলাম (৪৮), সাং-দিলারপুর, থানা ও জেলা-নরসিংদী একই গ্রামের নূরুন্নবী (২২), পিতা-বাচ্চু মিয়া এর নিকট ওএমএস কার্ডের ১০ টাকা দরের চাউল অধিক মুনাফায় বিক্রি করে। উক্ত বিষয়টি জানতে পেরে তারা জরুরি সেবা সার্ভিস ৯৯৯ এ কল দিলে নরসিংদী মডেল থানা পুলিশ ১৯/০৪/২০২০খ্রিঃ তারিখ সকাল অনুমান ১১.০০ ঘটিকার সময় দিলারপুর বাজার আব্দুল্লাহ আল বাছির মেডিকেল হল (ঔষধের দোকান) এর সামনে রাস্তার উপর ১টি বস্তার মধ্যে ২৬ কেজি চাউল-সহ নূরুন্নবীকে পেয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে জানা যায়, আসামী শাহানাজ বেগম ও তার স্বামী সিরাজুল ইসলাম ডিলারের সাথে যোগসাজসে ১০ টাকা মূল্যের চাউল তার নিকট ২০ টাকা মূল্যে বিক্রি করে। উক্ত চাউলের বস্তার গায়ে খাদ্য অধিদপ্তরের স্টীকার ছাপানো এবং বস্তার গায়ে খাদ্য অধিদপ্তর নেট ওজন ৩০ কেজি, ০৫/২০১৯-০১/০২ লেখা আছে।

নরসিংদী মডেল থানা পুলিশ দিলারপুর বাজার হতে চাউল জব্দ করেন এবং চাউলসহ শাহানাজ বেগমকে গ্রেফতার করেন। শাহানাজ বেগম এর স্বামী সিরাজুল ইসলাম পলাতক আছে। আসামী শাহানাজ বেগম ও তার স্বামী সিরাজুল ইসলাম ডিলারের যোগসাজসে প্রায়ই সরকারী অনুদানের ওএমএস এর চাউল মজুদ রেখে অসৎ উদ্দেশ্যে কালা বাজারীর মাধ্যমে অধিক লাভে বিক্রয় করত। উক্ত আসামীর বিরুদ্ধে নরসিংদী মডেল থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil