মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ১১:১১ পূর্বাহ্ন

পহেলা বৈশাখে বাঙালি চিত্তে নেই খুশির আমেজ-দৈনিক রুপান্তরবিডি

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২০, ৫.১৭ এএম
  • ২০৯ বার পঠিত

জোবায়ের ফরাজী, বাগেরহাটঃ পহেলা বৈশাখ। বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিন। বাঙালির সামাজিক পার্বণের বিচিত্র সমারোহে জড়িয়ে থাকা প্রকৃতির এক নব অভিষেক। এটি বাঙালির একটি সর্বজনীন লোকউৎসব হিসাবে বিবেচিত। পহেলা বৈশাখ যেন বাঙালির উচ্ছাসেরই আরেক রূপ। বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বাংলা ভাষাভাষী লোকজন দিনটিকে মঙ্গল শোভাযাত্রা,বৈশাখী মেলা, পান্তা খাওয়া, লোকগান, হালখাতাসহ বিশেষ উৎসবের মধ্যদিয়ে পালন করে থাকে। এ সকল মেলা যেন গ্রাম-বাংলার মানুষেরই প্রতিচ্ছবি। এটিকে “বাঙালীর অমূল্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য” হিসেবেও বিবেচনা করা হয়।
প্রতিবছর দিনটিকে নানা সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্যদিয়ে বরন করা হলেও এবারের সে চিত্র পুরোপুরি ভিন্ন। এ বছর প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়েছে। এর সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা লাখ ছাড়িয়েছে। আক্রান্ত হয়েছে সতের লাখেরও বেশি মানুষ। করোনার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সককারী ভাবে বাংলা নববর্ষের সহ সকল অনুষ্ঠানে জনসমাগম বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। এর প্রাদুর্ভাবে সমগ্র বিশ্বজুড়ে চলছে এক অজানা আতঙ্ক। জিনিস পত্রের দাম বাড়ছে হু হু করে। গরীব- নিম্নবিত্ত মানুষ সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে। ফলে, এবছর পহেলা বৈশাখে বাঙালি চিত্তে নেই খুশির আমেজ।
পানতা-ইলিশ খাওয়ার মধ্যদিয়ে প্রতিবছর দিবসটিকে শুরু করা হলেও এ বছর চারিদিকে চলছে হাহাকার। দেশে লকডাউন আদেশ জারীর মাধ্যমে ঘর থেকে বের হতে দেওয়া হচ্ছেনা সর্বসাধারনকে। ফলে বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষেরা। খেয়ে না খেয়ে দিন অতিক্রম করতে হচ্ছে তাদের। তাই, এ বছর যদি সকল সামর্থবান ব্যাক্তি নিজ-নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী পানতা-ইলিশ খাওয়ার পরিবর্তে আশপাশের নিম্নবিত্তদের খাবার প্রদান করেন তাহলে কিছুটা হলেও লাঘব হতে পারে তাদের দুঃখ-কষ্ট। বিকাশিত হতে পারে বাঙালীর চিরচায়িত চরিত্র অতিথেয়তার। অর্জিত হতে পারে বাঙালী চিত্তে আনন্দের খোরাক।

জোবায়ের ফরাজী,বাগেরহাট।
তাং.১৪/০৪/২০২০
মো.০১৮৫০-৬৬৪৭৫২

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil