মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন

পিরোজপুরের কাউখালীতে ২’শ গ্রাহকের টাকা নিয়ে ভূয়া এনজিও উধাও

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২০, ৯.২৯ পিএম
  • ২৪৯ বার পঠিত
তারিকুর রহমান তারেক, কাউখালী, (পিরোজপুর) :  পিরোজপুরের কাউখালীতে ২ শত গ্রাহকের সঞ্চয়ের টাকা নিয়ে অনন্যা সমাজ কল্যান সংস্থ্যা নামের একটি ভূয়া এনজিওর কর্মীরা উধাও হয়ে গেছে। স্থাণীয়রা জানান, অনন্যা সমাজ কল্যান সংস্থা নামের এনজিওটি প্রায় ২ শত গ্রাহকের ২০ লাখ টাকা নিয়ে উধাও হয়ে গেছে। এনজিওটি উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাশুরী গ্রামের ব্রীজ সংলগ্ন আব্দুর জব্বার হাওলাদারের পাকা ভবনে ভাড়া নিয়ে কার্যক্রম চালাতেন। এর আগে ওই এনজিওটি উপজেলার কলেজ পাড়া এলাকার এক পুলিশ সদস্যের বাড়িতে ভাড়ায় থেকে কার্যক্রম চালাতেন। ভুক্তভোগী গ্রাহক ইলিয়াস হোসেন জানান, ওই এনজিও থেকে তিনি পঞ্চাশ হাজার টাকা তুলতে শনিবার (২৭জুন) জামানত (সঞ্চয়) হিসাবে ৫হাজার ২৫০টাকা জমা দেন। এনজিওটি সোমবার (২৯জুন) ওই ঋণ হিসাবে ৫০হাজার টাকা দেয়ার কথা রয়েছে। আমার সাথে এ সময় ৫০হাজার টাকা করে ঋণ নিতে আরো ৯জনে প্রত্যেকে ৫হাজার ২৫০টাকা করে জমা দেন। রবিবার (২৮জুন) সকালে অফিসের লোকজনকে ফোন দিলে ফোন বন্ধ পাওয়া গেলে বিষয়টি সন্দেহ হয়। পরে এসে দেখি অফিসটি তালাবদ্ধ। এখানে এসে দেখি আমার মতো অনেক নারী-পুরুষ জড়ো হয়েছেন।
প্রতারনার স্বীকার মামুন হোসেন জানান, আমি এক লাখ টাকা ঋণ নিতে ১১হাজার টাকা সঞ্চয় হিসাবে জমা দিয়েছি। টাকা দেয়ার কথা ২দিন আগেই টাকা দেয়ার কথা থাকলেও তাদের টাকার বরাদ্দ আসেনি বলে আমাকে ঘুড়াতে থাকে। ওই এনজিওটিকে অফিস হিসাবে ঘর ভাড়া দেয়া ভবন মালিক আব্দুল জব্বার হোসেন জানান, তার ঘরটি গত ৭/৮দিন আগে ওই এনজিওটির শাখা ম্যানেজার পরিচয়ে এক ব্যাক্তি এসে ভাড়া করেন। এ সময় তিনি বাড়ি না থাকায় তার স্ত্রী জেসমিন বেগমের সাথে তাদের মৌখিক চুক্তি হয়। রবিবার (২৮জুন) এর লিখিত চুক্তি হবার কথা ছিলো। তারা কিছু আসবাব পত্র রেখে এক নারী ও ২ পুরুষ এনজিও কর্মী হিসাবে কাজ চালাতে থাকে।
স্থাণীয়রা জানান, ওই এনজিওটি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ঋন নিতে ইচ্ছুকদের ঋণ দেয়ার কথা বলে প্রায় ২ থেকে আড়াই শত গ্রাহকের কাছ থেকে জামানত হিসাবে টাকা জমা নিয়েছেন। কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, আমরা খবর পেয়েছি একটি ভূয়া এনজিও গ্রাহকদের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগী গ্রাহকদের সাথে কথা বলেছি। আমরা চেষ্টা করবো ভূয়া এনজিও সনাক্ত করে গ্রাহকদের টাকা উদ্ধার করার। এসময় ওই এনজিওটিতে টাকা জমা দেওয়া ২৫/৩০ জন তাদের সঞ্চয় বই আমাদের কাছে জমা দিয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil