শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভৈরবে ঈদে মিল্লাদুন্নবী উপলক্ষে জশনে জুলুছের শোভাযাত্রা ভৈরবে নিরাপদ সড়ক চাই আয়োজনে লিফলেট ও মাস্ক বিতরণ শক্তি দিয়ে নয় মানুষের ভালবাসা দিয়ে জয়ী হতে চাই – চেয়ারম্যান প্রার্থী আরেফিন চৌধুরীর ভৈরবে তেয়ারীরচরে এডভোকেট আবুল বাসারের নির্বাচনী গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভা ভৈরবের সাদেকপুর ইউনিয়নবাসীর সাথে সরকার সাফায়েত উল্লাহ’র নির্বাচনী মতবিনিময় সভা ভৈরবে ৩ প্রতিষ্টান সিলগালা ৬০ লাখ টাকার জাল ধ্বংস বড়লেখা ফাউন্ডেশন ইউ কে উদ্যোগে আলোচনা সভা ও নৈশভোজ অনুষ্ঠান শয়তানের চ্যালেঞ্জ ও আল্লাহর ক্ষমার নমুনা ভৈরবে র‌্যাবের হাতে ভারতীয় ৫ লক্ষাধিক ট্যাবলেট ও ৯৭ পিস ভারতীয় কাতান শাড়ী উদ্ধার ভৈরবে এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরন

ফুলবাড়ী পৌরসভায় ১০টাকা কেজি দরের কার্ড বিতরণে মহিলা কাউন্সিলর নাদিরা বেগমের অনিয়ম দূর্নীতি

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২ মে, ২০২০, ৭.৫৬ পিএম
  • ৯০ বার পঠিত

মোঃ আফজাল হোসেন, (দিনাজপুর): সরকার খেটে খাওয়া অসহায় মানুষদের খাদ্য নিবারণের জন্য ঘোষিত ১০টাকা কেজি দরের কার্ড দিয়েছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা বলেছেন, খেটে খাওয়া মানুষদের প্রত্যেককে ১০টাকা কেজি দরের কার্ড দেওয়া হবে। ঘোষণা অনুযায়ী ফুলবাড়ী পৌরসভায় ১০ টাকা কেজি দরের কার্ড দেওয়ার আগে ফুলবাড়ী পৌরসভার ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের মহিলা কাউন্সিলর মোছাঃ নাদিরা বেগম ২শত কার্ড পৌরসভা থেকে পেয়ে থাকেন। সেই কার্ড বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ২টি পরিবার মিলে ১টি কার্ড, আবার চাকুরীজীবীদের পরিবারকেও ১০টাকা কেজি দরের কার্ড দেওয়া হয়েছে।

এমনি অভিযোগ ৪নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকা থেকে উঠেছে। এদিকে পশ্চিম গৌরিপাড়া এলাকার মৃত ওকিল উদ্দিনের পুত্র মোঃ আজিবর রহমান, শামসুল হকের স্ত্রী মোছাঃ শুকুরুন বেগম জানান, গভীর রাত্রিতে ঐ মহিলা কাউন্সিলর নাদিরা বেগম এসে তার মনমত লোকজনদেরকে কার্ড দিয়ে যায়। আমার স্বামী দিনমজুর, আমি আমার কাগজপত্র জমা দিয়েছি। কিন্তু কার্ড পাইনি। এমনি কথা বলেন আজিবর রহমান। তিনি বলেন, আমি ফলের দোকান করতাম, করোনা ভাইরাসের কারণে আজকে দেড় মাস ধরে দোকান বন্ধ হয়ে গেছে। ঘরে খাদ্য নেই। কাগজপত্র জমা দিয়েছি। আশা ছিল ১০টাকা কেজি দরের চাউল পাব। পরে শুনলাম ভবিষ্যতে কার্ড এলে দেওয়া হবে বলে মহিলা কাউন্সিলর জানিয়েছেন। ১০ টাকা কেজি দরের চাউল যাদের সামর্থ্য আছে তাদের অনেককে দেওয়া হয়েছে। যা তদন্ত করলে অনেক তথ্য বেরিয়ে আসবে। এমনি অনিয়ম হয়েছে যেখানে দেখার ও বলার কেউ নেই। এভাবে চলতে থাকলে অনিয়ম বাড়বে, খেটে খাওয়া মানুষগুলি ১০টাকা কেজি চাউলের কার্ড থেকে বঞ্চিত হবে।
এ বিষয়ে মহিলা কাউন্সিলর মোছাঃ নাদিরা বেগমের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে মোবাইল ফোনে পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে তদন্ত স্বাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার ভুক্তভোগী খেটে খাওয়া মানুষেরা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil