শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১, ১২:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

বরিশাল- চাঁদমারি পিডিবিতে এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম পলাশ চৌধুরী

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২০, ৬.২২ পিএম
  • ২৫৪ বার পঠিত

জিহাদুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ এর নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদমারি পিডিবি অফিস নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।

বরিশাল নগরীর ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোডের বাসিন্দা পলাশ চৌধুরী চাঁদমারি পিডিবি অফিসের জন্য রীতিমতো এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে।পলাশ চৌধুরী ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর আতঙ্কে কাঁপছে গোটা চাঁদমারি এলাকা ও পিডিবি অফিস । কিন্তু এই সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে কেউ কোন প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছে না। তাকে নির্বৃত্ত করারও কেউ নাই, তার বিরুদ্ধে রয়েছে চাঁদাবাজি, অভিযোগ কিছুদিন আগে বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকার ওয়ার্কসপ ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানকে চাঁদমারি পিডিপি অফিসের ভিতরে তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে হামলা চালিয়ে গুরুতর জখম করে আলোচনায় আসেন পলাশ চৌধুরী।গতকালকে টাউনহলের সামনে বেশ কয়েকটি সংগঠন তাদের ব্যানারে পলাশ চৌধুরী কে গ্রেফতারের দাবীতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন।সন্ত্রাসী পলাশ চৌধুরীর বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন, আহত পরিবারেরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায় যায়য়,পলাশ চৌধুরী বড় ভাই হান্নান চৌধুরি বঙ্গবন্ধু হত্যার সাথে জড়িত বাংলাদেশ ফ্রিডম পার্টির বরিশালের নেতা ছিলেন ও বরিশাল ৫ আসন থেকে কুড়াল মার্কা নিয়ে নির্বাচন করেছেন। তার আরেক ভাই আনিছ চৌধুরি মহানগর ছাত্রদলের সাবেক তুখোড় ছাত্রনেতা। বর্তমানে তিনি মহানগর যুবদলের রাজনীতির সাথে সরাসরি জড়িত রয়েছে। আরেক ভাই জসিম উদ্দিন বিএনপির নেতা। ২০০১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যাপ্টিস্ট মিশন বালক বিদ্যালয়ে ভোট কেন্দ্রে নির্বাচনের দিন আওয়ামী লীগের কর্মী রয়েল, সোহেল ও মিঠুর ওপর সশস্ত্র হামলা চালায় হান্নান চৌধুরি, মিজান চৌধুরি ও আনিছ চৌধুরি বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনী। এতে তারা গুরুতর আহত হয়। ওই সময় তারা নৌকার বিরোধীতা করে এ হামলা চালায় বলে তৎকালীন আ’লীগের নেতারা জানান, ২০০১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করলে হান্নান চৌধুরী, মিজান চৌধুরী ও আনিছ চৌধুরীর সন্ত্রাসী বাহিনীর অত্যাচারে কেউ এলাকায় থাকতে পারেনি। ২০০৮ সালের মেয়র নির্বাচনে আ’লীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে গিয়ে বিএনপি মনোনিত প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর পক্ষে নির্বাচন পরিচালনা করেন। এত সব ঘটনার পরও তারা এখন আওয়ামী লীগের রাজনীতি করায় ত্যাগী ও দুঃসময়ের আওয়ামী লীগ নেতারা হ্মুদ্ধ, এ ব্যাপারে পলাশ চৌধুরীর মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁর সংযোগটি বন্ধ পাওয়া যায়। ভুক্তভোগীরা পলাশ চৌধুরী সন্ত্রাসী বাহিনীর হাত থেকে রেহাই পেতে বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর একান্ত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil