শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন

বাগেরহাটে কিছুতেই থামছেনা মাছ চোরের দৌরত্ম্য ঋনগ্রস্থ হয়ে পড়ছে ভুক্তভোগী

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৩ মে, ২০২০, ৬.৪১ পিএম
  • ৩৭ বার পঠিত

জোবায়ের ফরাজী,বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ বাগেরহাটে প্রতিনিয়তই বেড়ে চলেছে রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগ করে ঘেরের মাছ চুরির ঘটনা। ফলে সর্বশান্ত হয়ে পড়ছে ঋনগ্রস্থ চাষী। প্রতিটি ঘটনায় মামলা দায়ের হলেও কিছুতেই কমছেনা চোরাকারবারীদেও দৌরত্ব্য। মূহুর্তেই তারা হাতিয়ে নিচ্ছে ঋনগ্রস্থ চাষীর সোনালী সপ্নকে। এতে অধিকাংশ চিংড়ি চাষি সর্বস্ব হারিয়ে পথে বসেছে। জেলার ফকিরহাট উপজেলার সদর ইউনিয়নের পাগলা-শ্যমনগর গ্রামে সুজন কুমার দাশের মৎস্য পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার মাছের ক্ষতি করেছে দুষ্কৃতিকারী চক্র। রবিবার (৩ মে) দিবাগত রাতে একটি দুস্কৃতিকারী চক্র সুজন কুমার দাশের পুকুরে বিষ দেয়, এতে তার প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার বিভিন্ন জাতের মাছ পানিতে মরে ভেসে ওঠে । এ ঘটনায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে ভুক্তভোগী। এর আগে গত ২৬ এপ্রিল রাতে জেলার ফকিরহাট উপজেলার আট্টাকী ঝুটতলা গ্রামের ইউছুব সরদারের মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে দুর্বৃত্তরা। এতে ওই ঘেরের প্রায় ১৬ থেকে ১৭ মণ মাছ মারা যায়। জেলার শরণখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ তাফালবাড়ি গ্রামের রাজ্জাক ফকিরের গেওে ১৩ ও ১৫ জানুয়ারি বিষ দিয়েছে দুর্বৃত্তরা এতে প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। জেলার মোল্লাহাট উপজেলার আড়ুয়াকান্দি এলাকার শহিদুল্লাহর মাছের ঘেরে গত ১লা জানুয়ারী বিষ প্রয়োগ করে ১৫ লাখ টাকার মাছ মেরে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। ক্ষতিগ্রস্থ চাষিরা জানান, এলাকার সংঘবদ্ধ কয়েকটি চক্র রাতের বেলায় ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ চুরি করছে। চুরিকৃত এসব মাছ এলাকার বাইরে বিভিন্ন আড়তে গিয়ে গোপনে বিক্রি করছে তারা। প্রভাবশালী এ চোর বাহিনীর কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে এলাকার চিংড়ি চাষিরা। গত কয়েক দিনের ব্যবধানে এলাকার অনেক ঘেরে বিষ প্রয়োগের ঘটনা ঘটেছে। এতে দারুণভাবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে স্থানীয় চাষিরা। এ অবস্থার পরিবর্তন না ঘটলে পঙ্গু হয়ে পড়বে মাছচাষ ভিত্তিক অর্থনীতি এমনটাই মনে করছের সুশীল সমাজ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil