রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ১০:৪০ পূর্বাহ্ন

ভৈরবে ঋণের দায়ে দিশেহারা পাদুকা শ্রমিক, খুদার জ্বালা নিবারণের অনুরোধ-Dailyrupantorbd

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২০, ৪.৫৭ এএম
  • ১১০ বার পঠিত

মোঃ মিজানুর রহমান পাটোয়ারী,

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ

কিশোরগঞ্জে ভৈরব, কুলিয়াচর, বাজিতপুর অর্থাৎ জেলার এই তিন উপজেলার অধিকাংশ মানুষ ভৈরবে পাদুকা তৈরীর এবং বিক্রয় সাথে সম্পৃক্ত ।এমনকি কয়েক হাজার মানুষ এই পাদুকার উপরে ঋণের দায়ে দিশাহারা পাদুকা শ্রমিক, খুদার জ্বালা নিবারণের অনুরোধ । জীবন নির্ভর করে চলেন ।

বিশ্ব প্রানঘাতী মহামারী করোনা ভাইরাস কভিড ১৯ এর আক্রমণে ভয়ে এখন সবাই গৃহবন্দী । কেমন আছেন পাদুকার সাথে সম্পৃক্ত মানুষজন উত্তরে নিশ্চয়ই আসবে সবই শেষ । বাংলাদেশের মধ্যে পাদুকার একটি বিশাল বাজার ভৈরবে অবস্থান করছে ।

আগত ঈদুল ফিতরকে উপলক্ষ করে
অনেক ব্যবসায়ী জীবনের সঞ্চয়কৃত অর্থ সম্পদ এমনকি বিভিন্ন এনজিও ব্যাংক লোন ধার দেনা করে এনে পাদুকার ব্যবসা পরিচালনা করেন । ব্যয় কৃত অর্থে তৈরি হাজার হাজার পাদুকা পণ্য যেগুলো এখন যাওয়ার কথা বাংলাদেশের বিভিন্ন বাজারে আর পরিশোধ করার কথা ঋণ । কিন্তুু
করোনা ভাইরাসের ক্লান্তিলগ্নে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে স্বপ্ন গুলো এখন গোডাউনে তালাবদ্ধ । পেটে ভাত নেই শ্রমিকদের ।

শত ব্যস্ততার মধ্যে যাদের দিন পার হওয়ার কথা, সেই সকল পাদুকা শ্রমিকগণের মুখে নেমে এসেছে অনিশ্চয়তার কালো ছায়া । এসকল ব্যবসায়ী এখন দিশেহারা এমন কি বর্তমান অবস্হায় সংসার চালানো কষ্ট দায়ক হচ্ছে ।

পাদুকা শ্রমিকগণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ ও করজোড়ে আাবেদন করে বলেন দয়া করে আমাদের পাদুকার ব্যবসায়ীদের ক্ষতি পূরণে বিগত দিনের আমাদের পাদুকার সকল ঋণ মওকুফ করে আবার সহজ শর্তে উপযুক্ত অর্থের ব্যবস্থা করে দিলে ( সরকারী করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত আদেশ জারির শেষে ) ভৈরবের পাদুকা আবারো ঘুরে দাড়িয়ে হাজার হাজার লোকের কর্মস্থানের মধ্যে স্বাবলম্বী হতে পারবে এটা ব্যবসায়ীদের মনের বিশ্বাস ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil