মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন

ভৈরবে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের উদ্যােগে ফেস শিল্ড বিতরণ – রুপান্তরবিডি

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২০, ৮.৫৯ পিএম
  • ১০৪ বার পঠিত

মোঃ মিজানুর রহমান পাটোয়ারী, কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার দুইজন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্র খুলনা ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজির ইমরানুল ইসলাম ইমন ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনজামুল হক তনয় এর উদ্যােগে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ট্রমা সেন্টার, ভৈরব থানা ও বিভিন্ন ফার্মেসীগুলোতে ২ শত পিস ফেস শিল্ড বিতরণ করা হয়েছে ।

২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবারে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও উপজেলা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব ডা. বুলবুল আহমেদ এর হাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ট্রমা সেন্টারের জন্য ৬০ পিস, ভৈরব থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বাহালুল খান বাহার ও এস আই শেখ আমজাদ শেখ এর হাতে ৫০ পিস ও ভৈরবের বিভিন্ন ফার্মেসীর মালিকদের হাতে ৯০ পিস ফেস শিল্ড তোলে দেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্ররা।

খুলনা ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইমরানুল ইসলাম ইমন বলেন, বিভিন্ন পত্রিকা ও নিউজ পোর্টালে খবর জানতে পারি ভৈরবে ৪২ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এর মধ্যে ৩২ জনই ডাক্তার,নার্স ও পুলিশ। তখন ভাবলাম যদি তারাই আক্রান্ত হয়ে পড়ে তাহলে আমাদের সেবা দিবে কারা। তখন মাথায় আসলো তাদের এক্সট্রা আরো সেকিউর প্রটেকশন দেয়া যায় কিনা। তখন ডা: বুলবুল আহমেদ স্যার এর সাথে বন্ধু রিদমের মাধ্যমে যোগাযোগ করলাম এবং জানতে পারলাম ওনাদের ফেস শিল্ড
আছে কিনা। তখন জানতে পারলাম এটার খুব সংকট এবং খুব প্রয়োজন। তাই ভাবলাম আমরা এটা তৈরি করব এবং বিনা মূল্যে সর্ম্পূন ভৈরবের ডাক্তারদের হাতে তুলে দেব। কিন্তু এই জিনিসগুলো বানাতে আমাদের হাতে পর্যাপ্ত টাকা ছিল না পরে আমাদের স্কুল ও কলেজের বন্ধুদের কাছে বিষয়টি শেয়ার করি। তখন আমাদের অনেক বন্ধু এই কাজে সাড়া দেয় এবং
অর্থ দিয়ে সাহায্য করে। এর জন্য আমি আমাদের বন্ধুদের কে ধন্যবাদ জানাই পাশে থেকে সহযোগীতা করার জন্য।

এছাড়া তিনি আরো বলেন, আমাদের পরবর্তী ইচ্ছা সর্ম্পূণ কিশোরগঞ্জের ডাক্তারদের হাতে যেন এই ফেস শিল্ড তুলে দিতে পারি বড় পরিসরে।

ভৈরব থানার এস আই শেখ আমজাদ শেখ
ফেস শিল্ড গ্রহণ করার সময় বলেন,বর্তমানে করোনার এই অবস্থায় আমাদের ফেস শিল্ড খুব দরকার ছিল। দেশের এই কান্তিকালে
তোমাদের মত তরুণরা এগিয়ে এসে প্রমাণ করল দেশের যে কোনো পরিস্থিতি তরুণা বসে থাকে না দেশের জন্য এগিয়ে আসে। তাই তিনি এই মহৎ কাজের জন্য তাদের কে ধন্যবাদ জানান।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব বলেন,কোয়ালিটি অনেক ভালো হয়েছে। অনেক ধন্যবাদ তোমাদের এইভাবে এগিয়ে আসার জন্য।

এছাড়া ফেস শিল্ড বানাতে সেচ্ছায় সহযোগীতা করেন, ইমন(কুয়েট), জাহাঙ্গীর হোসেন (নরসংদি সরকারি কলেজ), তনয়(চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়), জনি মাওলা (জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়), জহিরুল ইসলাম বাবু (নরসিংদী সরকারি কলেজ), আল-আমিন(ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ), রিমন (প্রাইম এশিয়া ইউনির্ভাসিটি) ও সাইনুল(কুয়েট)।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil