মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন

ভোলার দক্ষিণ আইচা মহামারী করোনায় জনবহুলে জনমানব শূন্যতা বিপাকে খেটে খাওয়া হাজারো পরিবার

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২০, ৬.৩১ পিএম
  • ১১০ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্ট হাসান লিটন : ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা দক্ষিণ আইচা থানা প্রশাসনের কঠোর নজর দারি ও কঠোর নিরাপত্তার কারণে দক্ষিণ আইচা থানা জনবহুল স্থান, হাট বাজার, দোকান, গাড়ির স্ট্যান্ড, গুরুত্বপূর্ন পয়েন্ট, ভ্রমনের স্থানগুলো জনমানব শূণ্য হয়ে পড়েছে। মনে হচ্ছে এ যেন কোন ভুতড়ে অবস্থায় পরিনত হয়েছে।

দক্ষিণ আইচা বাজার যে জায়গা গুলোতে প্রতিদিন ও প্রতিনিয়ত হাজার মানুষের পদচারনা থাকতো সেখানে নেই কোন মানুষ ও নেই কোন চলাচল কিংবা চায়ের দোকানের আড্ডা। ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা প্রশাসণের নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন এর বিশেষ আইনি কঠোর ব্যাবস্থার ফলে মানুষ সচেতন ভাবে চলাফেরা করছে দক্ষিণ আইচার মানুষ। এতে দেখা যায় মুল পয়েন্ট ও সড়ক গুলোতে পুলিশ সদস্যরা কড়া মহরা দিয়ে যাচ্ছে। আজ (২৯মার্চ)রবিবার দক্ষিণ আইচা বহুস্থানে তাদের এমন কঠোর প্রতিফলন দেখা গেছে। এতে করে করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতার মত রোগ বিস্তার বন্ধে অনেক ইতিবাচক ভূমিকা আশা করা যায়।

এদিকে ভোলা দক্ষিন আইচা থানা বাজার ব্যাবসায়ী মহল সহ সাধারন মানুষরা বিপাকে পড়েছে তাদের নিত্য নৈমিত্তিক কাজের জন্য। সাধারন খেটে খাওয়া মানুষরা দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, “রাস্তায় বের হইতে পারিনা, যদি বাহির হই সমস্যা হইবো যার কারনে ‘এদিকে জাতীয় দৈনিক আলোকিত সকাল পত্রিকা সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ভোলার দক্ষিণ আইচা থানা ৯নংচরমানিকা ৬ নং ওয়ার্ডের মোঃনুরমোহাম্মদ (৩০) এর পরিবার, অনেক কষ্টে আছে, সে বলে রুজি না করতে পারলে কেমনে চলুম কিচ্ছু বুঝিনা।

আমাদের মরন তো সব দিকেই।” দোকান-পাট বন্ধ, বাজারের মুল ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান গুলো বন্ধ থাকার ফলে নানা প্রকার বিপত্তিতে পড়তে হচ্ছে সর্বস্তরের মানুষদের। সব মিলিয়ে ভোলার দক্ষিণ আইচার ৯নং চর মানিকা এখন বিরাজ করছে জনমানবশূন্য ও ভুতুরে অবস্থার মত।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil