বুধবার, ২৩ জুন ২০২১, ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সমীপে প্রার্থনা কমলনগরকে রক্ষা করুন

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২০, ৮.৫২ পিএম
  • ১৮১ বার পঠিত

শিব্বির দেওয়ান, কমলনগর উপজেলা প্রতিনিধিঃ 

রামগতি কমলনগর নদী ভাঙ্গন কবলিত উপজেলা।ভাঙ্গা গড়ার প্লাবনে জীবন এখানে যাপিত।হতাশা আতঙ্ক আর জীবন কোনঠাসা।ভাগ্য আকাশে মেঘ।আশার প্রতিফলন নেই।ভাঙ্গনের তীব্রতায় ধ্বংস্তুুপ লক্ষনীয়।সব হারানো মানুষের অশ্রুসিক্ত নয়ন।পরের জমিতে বসতি।কষ্টের সীমারেখা নেই।ভাঙ্গন খেলা সুদীর্ঘ।প্রতিকার বাজেট বরাদ্দে আটকা।বরাদ্দ যা হয়েছে অন্ধকারে আলোক ছটা।স্তস্হির নয়।বিরামহীন ভাঙ্গন চলমান।এই ধারা চলমান থাকলে রামগতি কমলনগর বাংলাদেশের মানচিএ থেকে মুছে যাবে সহসাই।কমলনগরে যেটুকু বাঁধ হয়েছে তা খসে পড়ছে। সংস্কার জরুরী এবং ভাঙ্গন ঠেকাতে কার্যকরী পদেক্ষেপ নেওয়া অতীব ও জরুরী না হয় দুঃখ হবে সুপ্রসন্ন। কমলনগরের ভাগ্য আকাশে যে মেঘ তা বৃষ্টি হয়ে ঝরবে অভিরাম।বৃষ্টির বহমান ধারা আর মেঘনার তান্ডবলীলার উপছেপড়া ঢেউয়ের তীব্রতা স্বপ্ন সম্ভাবনা হবে খান খান।আশাহত মানুষের মনে যে আশা স্তস্হির সঞ্চার করেছে। সেই স্তস্হি অভিশাপে পরিনত হবে।ভাঙ্গন স্তুুপে দাঁড়ানো মানুষের আকুতি এান নয় বাঁধ চাই।এই নিঃস্হ মনের আকুতি কি কর্তাব্যক্তিদের কর্নকুহরে প্রবেশ করে না।
রামগতি কমলনগর নদী ভাঙ্গন রোধ প্রধান এজেন্ডা নিয়ে ভোটের মাঠে নিজেকে তুলে ধরেছে প্রার্থীরা। ভোট প্রার্থনা করেছে জনদনবারে।বিজয় সূচিত হয়েছে জনদাবী অস্ফুট। নির্বাচনের দেড় বছর অতিবাহিত হলে নামে মাএ কিলো মিটার বস্তা বাঁধ ও সংস্কার কাজ করে জনবহুল প্রত্যাশিত দাবী পূরন বলা যায় না। সিংহ ভাগ কাজ বাস্তবায়ন দূর অজানা।কমলনগর রামগতি বাসী আশান্বিত নদী বাঁধ কাজ হবে।জনদাবী এমপি আবদুল মান্নান পূরন করবেন।আশার ভেলায় বয়ে যাচ্ছে সময়। নদী ও নাছোড়বান্ধা ভাঙ্গল খেলায় উদ্বেলিত।ক্রন্দন চোখে প্রাপ্তি প্রত্যাশা দাবীতে একাগ্র। না জানি কখন আশার প্রদীপ অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়। কে জানে? জানা অজানার মাঝে করোনার মরনবেদী আঘাত।জনজীবন আতঙ্কিত। চিরচেনা কমলনগরের জনপথ আজ বয়ে বেড়াচ্ছে শোক বারী। এই বিপদ ময় ভয়তা বিরান পথে ব্যাথার দোসর হয়ে বর্ষা বার বার ফিরে আসে।ভাঙ্গন খেলায় মেতে উঠে সর্বনাশায়। নদী বাঁধ হবে মিথ্যা প্রতিশ্রুতির মিনিট ঘন্টা দিন মাস বছর পেরিয়ে যাচ্ছে।
মিথ্যা বলে প্রতারনা না করে সত্য বলে কাঁদাও।
কাঁদিতে চাই। চোখের জল আর মেঘনার ভাঙ্গন প্লাবিত বিরহে রাগ অনুরাগের সর্বনাশী মেঘনা নদীর ঢেউের উচ্ছাস এক মোহনায় মিলিত হয়ে প্রবল ধারায় ভাসিয়ে দেওয়া হোক মিথ্যা প্রতিশ্রুতির প্রতারক নামের সাধু বেশি সেবকদের ক্ষমতালোভীর বিত্ত।
ওরা স্বপ্ন দেখায় স্বপ্ন ভাঙ্গে। ওরা অভিশপ্ত। ওরা উন্নয়নের ধারক বাহক নয়।গলাবাজী ক্ষমতা কুক্ষিগত করার নিরব ঘাতক।বিশ্বাস করে এই নদী উপকূল কমলনগরের বিপদগ্রস্হ জনতা বার বার প্রতারিত হয়।বিশ্বাসের মাঠে যে স্বপ্ন বীজ বপন করে তা অঙ্কুরোদমনে বিনষ্ট করে স্বপ্নবাজেরা।রাজনীতির গাল গল্প শুনায়। সেবার মহতি সাজে। উন্নয়নের নামে কমিশনে উন্নয়ন খসে পড়ার নির্মম
দৃর্শ জনদৃর্শে প্রকাশিত করে হাসির খোঁড়াকে পরিনত হয়।হাসি কান্নার মেঘনা উপকূলের নির্মমতাময় জনগোষ্ঠির জীবনে পরিবর্তনের ছোঁয়া নেই।মিথ্যা প্রতিশ্রুতর আশাতীত হাসির আড়ালে কান্নার যে শুরু তা চির বিরাজমান।উন্নয়নের টাকা দূর্নীতির জাহাজে সেবার নামে অসেবার পথ ধরে স্বার্থবাদী খাদক কুবেরের ঘরে যায়। প্রতিকার নিরবে নিভৃর্তে কাঁদে।অন্যায় নিয়মে পরিনত হয়েছে।দূর্নীতি দু:শাসন লাগামহীম।জনদূর্ভোগ চরমে।সেবা প্রার্থীরা ক্ষুধার্ত ছল ছল চোখে চোখের ভাষায় অপলক চাহনিতে চেয়ে আছে কিছু পাবার আশায়।আশার অপমৃত্যু স্বপ্নের বলিদান অধিকারের পরাধীনতা স্বাধীনতার বিত্তে বিবেকবোধে বেঁচাকেনার হাটে অবোধ।ফলে সেবা প্রার্থী জনগন অধিকার বঞ্চিত। ক্ষমতালোভীরা বিবেকবোধের ধার ধারেনা। তাদের আরো চাই।এই অতিলোভী সুবিধাবাদীরা দূর্নীতিবাজরেরা দেশ সমাজ জাতির উন্নতির অগ্রযাএায় অন্তরায়। এই অশুভ ধারা ছড়িয়ে পড়েছে সর্বএ।প্রতিকার জরুরী।কমলনগরের আশাতীত জনতার স্বপ্ন সম্ভাবনা বস্তা ভর্তি।দীর্ঘশ্বাসহীন শ্বাস বন্ধ হওয়ার উপক্রম।উন্নয়নের মনোবাসনা ইচ্ছাশক্তি সঠিক পরিকল্পনা কাজের সম্পাদন নদী বাঁধের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন কমলনগর রক্ষা পেতে পারে।কিন্তু ইচ্ছের গতিধারা শ্লো। শুনা যাচ্ছে বর্ষার আগমনী ধ্বনি।মহোদয় আসে যায় ।পর্যবেক্ষনে দিন ক্ষন পেরিয়ে যায় ।ভয়ে নিদারুন যন্ত্রনাময় অপেক্ষায় কাটে প্রতিশ্রুতির চাদরে ঘুমহীন দিবস রজনী ।অপেক্ষার শেষ হয় না ।তবুও অপেক্ষা বাঁধ হবে।প্রতিশ্রুতিময় নদী বাঁধ প্রথম এজেন্টা বাস্তবায়নের রুপ কল্পে উন্নয়নের ছোঁয়ায় অপেক্ষাময় আগ্রহতীত জনতার মলিন প্রত্যশাকৃত স্বপ্ন সফলতার মোড়কে সুসজ্জিত হবে।সব হারানো বেদনা ভুলে জনতার মহাউৎসবে কমলনগর ফিরে পাবে কাঙ্খিত রুপ।চির নবউদ্যমে প্রস্ফুটিত হবে কমলনগরের মাএচিএ। ভয় তাড়া করে ফিরছে নদী কবলিত কমলনগরবাসীদের।
মাননীয় এমপি মহোদয় শুনতে পাচ্ছেন কি?
প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কত দেরি।
সমস্যা কোথায়? প্রতিকারে সচেষ্ট হোন।আমজনতার বিশ্বাস আঁস্তার প্রতিফলন ঘটাবেন।
আপনি আন্তরিক জানি মানি বাস্তবায়ন অদৃর্শ।
আপনি পারবেন পারতে হবে অসম্ভবকে সম্ভাময়ী করে তুলবেন।কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী বাস্তবে পরিনত করে নিজেকে যোগ্যতার আসনে বসাবেন।কমলনগরে গ্রামীন অবকাঠামে উন্নয়নে অনিয়ম ব্যাপক।সিন্ডিকেট কমিশনে প্রকল্প গায়েব।বরাদ্দকৃত টাকা উদাও।প্রকল্প নামে প্রমানে দৃর্শমান নেই।কেন এই অরাজগতা অস্বচ্ছতা কে দেবে তার জবাব।উন্নয়ন বরাদ্দের টাকা হরিলুট। উন্নয়নের পথে অন্তরায়কৃত দূর্নীতিবাজদের চিহৃিত করে উন্নয়নের চাকা স্বচ্ছল করে দেশ জাতিকে উন্নয়নের সোপান তলে নিয়ে যাওয়ায় হোক কর্তাব্যাক্তিদের দায়বোধ।এই লেখা যখন লিখছি তখন মেঘনায় অস্বাভাবিক জোয়ারে রামগতি কমলনগরে পনেরো গ্রাম প্লাবিত।একনেকে নদী সমস্যা প্রতিকারে ২৭৪৪কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ হয়েছে।কমলনগর বাজেট বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত।কমলনগরের ভাগ্য আকাশে কালো মেঘ।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার সমীপে প্রার্থনা রামগতি কমলনগরকে নদীর কবল থেকে রক্ষা করুন।
আপনার স্বদিচ্ছায় কমলনগর রক্ষা পেতে পারে।এ ছাড়া মুক্তি মিলবে না।ক্ষয়ে ক্ষয়ে কমলনগর বিরান হয়ে যাবে।আপনার আর্শিবাদ একান্ত কাম্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil