মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন

মুর্শিদার ঝুঁপড়ি ঘরে বৃষ্টিতে ভিজছে মাস বয়সী শিশু (ভিডিও)- রুপান্তরবিডি

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২০, ১০.২৫ এএম
  • ৮৮ বার পঠিত

এম. শাহরিয়ার কামাল:
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে মেঘনার তীঁরে এক মাস বয়সি শিশু বাচ্ছাকে নিয়ে ঝুঁপড়ি ঘরেই বসবাস করছে পরিবারটি। সংসার চালানোর কেউ নেই ।এর মাঝেই সর্বস্বঃ কেঁড়ে নিয়েছে নদী। ঝুঁপড়ি ঘরে বৃষ্টিতে ভিজে বাচ্ছাটি সহ পরিবারের ৬ জনই কাটিয়েছে নির্ঘুম রাত।সাথে রয়েছে ক্ষুদার গল্পে মোড়ানো মানবেতর জীবন!

জানা যায়, উপজেলার সাহেবের হাট ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড কাদির পন্ডিতের হাট বাজার সংলগ্ন নদীর ঠিক ১০০ মিটার দুরে রাস্তার উপরে ঝুপঁড়ি ঘর উঠিয়ে বসবাস করছে এ অস্বচ্ছল পরিবারটি।

এলাকাবাসী জানায়, দু’জন ছোট্ট সন্তান রেখে প্রায় একযুগ আগে মুর্শিদা বেগমের স্বামী মারা যায়।

এরপর থেকে ছেলে শামীম আর মেয়ে তাছনুরকে বুকে নিয়ে মুর্শিদার জীবন যুদ্ধ। স্বপ্ন শামীম গোছাবে মায়ের দুঃখ।
কাঠ ছিঁড়ানো স্বমিলে কাজ করতে গিয়ে গাছের আঘাতে আহত হয়ে চিকিৎসাধিন অবস্তায় ৪ বছর আগে মারা যায় শামীম।

এর মাঝে চার-দুয়ার ফেরি করে মেয়ে তাছনুরকে বিয়ে দেন মা মুর্শিদা।সাথে জীবন জীবিকার যুদ্ধে
মেয়ে-মেয়ের জামাতা নিয়ে কিছুদিন ভালো কাটলেও পরবর্তী মেয়ের জামাতা জাহাঙ্গীরও মারা যায়।
বর্তমানে মেয়ে তাসলিমার ঘরের চার নাতি-নাতনী নিয়ে ঝুঁপড়ি ঘরেই মুর্শিদার মানবেতর বসবাস ।

মুর্শিদা বেগম বলেন, প্রায় যুগেরও বেশি সময় আগে তার স্বামী মারা যায়। এরপর অভাব আর অনটনের সাথে পাল্লা দিয়ে জীবন চলা তার।
স্বামী-সন্তানের পর পায়ের তলার মাটিটুকু বিলিন হয়ে গেছে নদীগর্ভে। বর্তমানে নদীর তীরে ঝুঁপড়ি ঘর উঠিয়ে মেয়ে তাছনুর তিন নাতনী আর একমাস বয়সী এক নাতি-সহ ছয়জনই বসবাস করছে গরীবের ভাগ্যে বরাদ্ধ থাকা ঝুঁপড়ি ঘর নামক ওই রাজপ্রসাদে।

এ ব্যপারে সাহেবের হাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রফেসর আবুল খায়ের জানান,অসহায় পরিবারটিকে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুবিদা দেয়া সহ ব্যক্তিগত ভাবেও নানা সাহায্য করেন তিনি। পরিবারটিকে সরকারি ভাবে একটি ঘর করে দেয়ার চেষ্টা অব্যাহত আছে বলে জানান মানবিক এই চেয়ারম্যান।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil