শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১, ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন

শ্রীমঙ্গলে সরকারী বিভিন্ন সহায়তার নামে অর্থ নেয়ায় মহিলা কাউন্সিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২০, ১০.১১ পিএম
  • ৭৭ বার পঠিত

শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মহিলা কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে ওএমএস ও বিভিন্ন সরকারী সহায়তার কার্ড দেয়ার নামে অসহায় দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে অর্থ নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শ্রীমঙ্গল পৌরসভার ১,২ ও ৩ নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হামিদা বেগম বেবীর বিরুদ্ধে ওএমএস এর চালের কার্ড দেয়ার নামে সাধারণ মানুষের কাছে টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

শহরের জালালিয়া রোডের স্থানীয় অধিবাসীরা জানান, শ্রীমঙ্গল পৌরসভার জালালিয়া রোডের ওএমএস এর চাল, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড দেয়ার নামে মহিলা কাউন্সিলর হামিদা বেগম বেবী বিভিন্ন জনের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। আর এসব অনৈতিক কাজে তার স্বামী কাউন্সিলর স্ত্রীর পক্ষে অনেকের কাছ থেকে টাকা আদায়ের খবর পাওয়া গেছে। কিন্তু কাউন্সিলর হামিদা বেগম বেবী এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

জালালিয়া রোডের নুরু মিয়া বলেন, গত কয়েকদিন আগে তার এক প্রতিবন্ধী ভাই ও তার মেয়ের জন্য মহিলা কাউন্সিলর হামিদা বেগম বেবীর কাছে গেলে তিনি তাদের কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা নেয়। কিন্ত এত দিনেও অসহায় এই প্রতিবন্ধী পরিবারটিকে কার্ড দিতে পারেনি।

সিন্দুরখান বেবী স্ট্যান্ড এর একটি টেইলার্স এর কারিগর তরুন বর্ধন জানান, বয়স্ক ভাতার জন্য তিনিসহ আরো কয়েকজন হামিদা মেম্বারের কাছে গেলেন তিনি তাদের সবার কাছ থেকে ১শ’ টাকা করে নেয়। সিন্দুরখান রোডের ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেন এর স্ত্রী গৃহকর্মী জরিনা বেগম জানান তিনি একটি বিধাব ভাতার কার্ড করে দেয়ার জন্য হামিদা মেম্বারের কাছে গেলে তার কাছ থেকেও ২ হাজার টাকা দাবী করেন। কার্ড এলে অভাবের সংসারে স্বচ্ছলতা ফিরবে এ আশায় জরিনা বেগমকে ১ হাজার টাকা তুলে দেন-কথা হয় কার্ড এলে বাকি ১ হাজার টাকা দেয়ার কথা বলেন। ২নং ওয়ার্ডের আরেক ভোটার লিপি আক্তার ওএসএস এর কার্ড দেয়ার নামে তিনিসহ আরো কয়েকজনের কাছ থেকে টাকা নেয় হামিদা বেগম বেবী বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় ওয়ার্ডের ভোটারেরা। জালালিয়া রোডের বাসিন্দা আম্বিয়া বেগম জানান কার্ড দেয়ার সময় মোবাইল খরচের কথা বলে মেম্বার হামিদা বেগমের স্বামী তার কাছ থেকে টাকা গ্রহন করে।

এ অভিযোগের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে কাউন্সিলর হামিদা বেগম বেবী প্রথমে এ নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। পরে অবশ্য তিনি কথা বলতে রাজি হন। এসময় তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ১৯৯৯ সাল থেকে এই ওয়ার্ডে নির্বাচিত কাউন্সিলর হিসেবে মানুষের সেবা করছি। আমার কোন খারাপ রিপোর্ট নেই।

শ্রীমঙ্গল পৌরসভার মেয়র মহসিন মিয়া মধু কাছে এই বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, এবিষয়ে আমার কাছে কেউ অভিযোগ করেনি। আমি জানিও না। তিনি বলেন, পৌরসভার কোন সদস্য কারো কাছে কোন টাকা দাবী করলে এনিয়ে কোন ভুক্তভোগী আমার কাছে অভিযোগ দিলে আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পারি। কিন্তু কেউ আমার কাছে কোন অভিযোগ নিয়ে আসেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil