বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০৫:০০ পূর্বাহ্ন

সরকারি গাছ কাটতে বাধা দেয়ায় বড় ছেলে বৃদ্ধা মাকে কুপিয়ে জখম – রুপান্তরবিডি

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২০, ৪.০৩ পিএম
  • ১১৫ বার পঠিত

মোঃ আরিফ শেখ, রংপুর প্রতিনিধিঃ রংপুরের তারাগঞ্জে সরকারি রাস্তার উপর গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে আপন গর্ভধারিনী মাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেছে বড় ছেলে। আহত নুর-বানু বেগমকে উদ্ধার করে তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়েছে। তার হাতে ছয় টি সেলাই দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুুপুরে উপজেলার ৫ নং সয়ার ইউনিয়নের কাজির হাট কলেজপাড়া গ্রামে এমন ঘটনা ঘটে। এমন ঘটনায় আতঙ্কে রয়েছেন এলাকাবাসী। গর্ভধারিনী মাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করায় শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পরিবারের লোকজন ও এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তি বর্গ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নুর-বানু বেগমের চার সন্তানের মধ্যে বড় ছেলে নুরুজ্জামাল। স্ত্রী সন্তান নিয়ে আলাদা সংসার তার। ছেলের বউ তাছলিমা আক্তার সুমীর সাথে প্রায় নুর বানু বেগমের ঝগড়া লাগতো। গতবছর ২০১৯ ইং খ্রিঃ সামান্য বিষয় নিয়ে ঝগড়া লাগার কারণে অসহায় নুর বানু বেগমের উপর বাদি হয়ে তাছলিমা বেগম ফৌজদারি আদালতে একটি মামলা করেন। মামলা নং ৮৫/১৫। যা স্থানীয় চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য ও এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তি বর্গ সালিশের মাধ্যমে সমাধান করে দেন।

শনিবার দুপুরে রাস্তার উপর গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে নুরুজ্জামাল ও তার স্ত্রী তাছলিমা আক্তার সুমী অর্তকিত ভাবে নুর বানু বেগম সহ তার পরিবারের উপর হামলা চালান। ঘরে থাকা একটি মটরসাইকেল, এলইডি টিভি, পিসি, ঘরের আসবাবপত্র, বাস্কে থাকা প্রয়োজনীয় জমির কাগজ পত্র ও শিক্ষাগত মূল সনদপত্র সহ ঘরের দরজা জানালা ভেঙ্গে ফেলেন । এমন অবস্থায় পরিবারটি হতাশায় ভুগছেন।

ওই এলাকার আঁখি খাতুন নামের এক গৃহবধু বলেন, সামান্য ঘটনা কে কেন্দ্র করে তাছলিমা ও তার স্বামী নুরবানু বেগমসহ তার মা বাবা সহ সহোদর পরিবারের উপর প্রায় সময়ই অন্যায় অত্যাচার মারপিঠ ও মামলা হামলা করে। তারই সূত্র ধরে ঘরের আসবাবপত্র ভেঙ্গে ফেলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মা নুরবানু বেগমকে আঘাত করে গুরুতর জখম করেছে। একই এলাকার মোবারক হোসেন বলেন, নুরুজ্জামাল এক জন সন্ত্রাসী নিজের মাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। দ্রুত যেন তাকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হয় ।

নুরুজ্জামাল অভিযোগ করে বলেন, আমি রাস্তার পাশে একটি বট গাছ কাটছিলাম। ওই সময় আমার সহোদর ভাইয়েরা বাধা দেন গাছ কাটতে । তারা আমার হাতে থাকা কুড়ালের আঘাতে ওই সময় আমারও মাথায় জখম করেছে।

সয়ার ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আজম কিরণ বলেন, এর আগে এমন ঘটনা ঘটেছিল আমি সালিশের মাধ্যমে সমাধান করে দিয়েছি। গত কালকের ঘটনা আমাকে জানানো হয়েছে । দ্রুত তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। ওসি জিন্নাত আলী বলেন,বিষয়টি জেনেছি অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil