বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মৌলভীবাজার র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার ৫৮৬ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক শ্রীমঙ্গল থেকে গরু চোর আটক: ৪ গরু উদ্ধার কুলাউড়ায় ১৭৮৫ পিস ইয়াবাসহ, র‍্যাবের হাতে আটক (১) জন ভৈরবে গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব-১৪ অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম(এমপি) চিরদিন বেঁচে থাকবে জনসাধারনের মাঝে-চরফ্যাশন বিএমএসএফ এক প্রবাসীর কাছ থেকে ৩ লক্ষ্য টাকা নিয়ে উধাও সিলেটের শাহজাহান প্রতারক গরিব অসহায় মানুষ আমার বন্ধু  চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ওয়াছির উদ্দিন আহমেদ (কাওছার) ভৈরবে অন্তসত্বা কল্পনা নামে (বুদ্ধি প্রতিবন্ধি) কিশোরীর রহস্য জনক মৃত্যু জুড়ীতে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক স্থাপনে প্রতিবন্ধতা সৃষ্টি করতে পারবে না সাফারি পার্ক হবেই হবে পরিবেশমন্ত্রী বড়লেখায় আওয়ামীলীগের নতুন অফিস উদ্ভোধন করলেন পরিবেশ মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন

হাজারও পরিবার পানিবন্দি , খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২০, ৭.০৮ পিএম
  • ১২৯ বার পঠিত

মোঃ আরিফ শেখ , রংপুর প্রতিনিধিঃ

তিস্তা বেষ্টিত রংপুর জেলার নদীপাড়ে বেড়েছে মানুষের আহাজারি। নদীর স্বভাব সুলভ আচরণে ঘরবাড়ি হারিয়েছে অনেক পরিবার। চরাঞ্চলে পানিতে তলিয়েছে সবজি ক্ষেতসহ ফসলি জমি। তিস্তা ব্যারেজের সবকটি গেট খুলে দেওয়ায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় সঙ্গে সঙ্গে হয়ে আছে দুই হাজারেরও বেশি পরিবার।রংপুরের গঙ্গাচড়া ও কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও বেড়েছে ভাঙন ঝুঁকি। দেখা দিয়েছে শুকনা খাবারের পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানির সংকট।রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার চরাঞ্চলের প্রায় ৭৫০ পরিবার পানিবন্দি। তলিয়ে গেছে আমন বীজতলা, ভুট্টা ও বাদামসহ শাক-সবজির ক্ষেত। কিছু কিছু গ্রামে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়েছে। নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে বেশ কয়েকটি ঘরবাড়িও।

ভাঙন ঝুঁকি রোধে কাজ করছে নদীপাড়ের মানুষ কোলকোন্দ ইউনিয়নের বিনবিনা চরে নদী ভাঙনে বিলীনের পথে চরের একমাত্র পাকা সড়কটি। এরইমধ্যে সড়কটির প্রায় ৬০০ ফুট ভেঙে গেছে। এই চরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের একটি মসজিদ রয়েছে ভাঙনের মুখে। এছাড়া পানিবন্দি হয়ে আছে নোহালী ইউনিয়নের কয়েকটি চরের ২০০ পরিবার, কোলকোন্দ ইউনিয়নের চর চিলাখাল, মটুকপুর, বিনবিনা ও উত্তর কোলকোন্দ বাঁধ সংলগ্ন এলাকায় ২০০ পরিবার, লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের শংকরদহ, বাঘেরহাট, কলাগাছি চরের ১৫০ পরিবার, মর্নেয়া ইউনিয়নের তালপট্টি চর ও মনের্য়া চরের ১০০ পরিবার, গজগন্টা ইউনিয়নের ছালাপাক ও আশপাশের এলাকায় ৫০ পরিবার এবং গঙ্গাচড়া ইউনিয়নের গান্নারপাড় ও ধামুর এলাকায় ৫০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

ভাঙন ঝুঁকি থেকে বাঁচতে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে এদিকে গঙ্গাচড়া ছাড়াও কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া, টেপামধুপুর, শহীদ বাগ ও নাজিরদহ ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি চর ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ওই চারটি ইউনিয়নে প্রায় ৫ শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে আছেন।
কাউনিয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক জানান, তিস্তার পানি বৃদ্ধির কারণে নদীপাড়ের অনেক পরিবার নিরাপদ স্থানে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। আবার কেউ কেউ কোনো উপায় না পেয়ে পানিবন্দি হয়েই দিনানিপাত করছেন।
অন্যদিকে পীরগাছা উপজেলায় তিস্তা নদী তীরবর্তী গাবুড়ার চর, শিবদের চর, কিশামত ছাওলা, পূর্ব হাগুরিয়া হাশিম, ছাওলা, চর কাশিম, শিবদেব, রহমতের চর, চর তাম্বুলপুর ও চর রহমত গ্রামে পানিবন্দি পরিবারের সংখ্যা বেড়েছে। অসহায় এসব পরিবারের মানুষের মধ্যে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও গবাদি পশুর জন্য গো-খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

সরকারি ও বেসরকারিভাবে এখন পর্যন্ত কোনো ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়নি। ফলে চরম বিপাকে পড়েছে বন্যা দুর্গত মানুষজন।পানিতে তলিয়ে গেছে চরের ফসলি জমি আগাম এই বন্যা মোকাবিলায় নদীপাড়ের মানুষের কোনো প্রস্তুতি না থাকায় শুকনা খাদ্য ও পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে বলে মনে করছেন জনপ্রতিনিধিরা। তাদের দাবি, বন্যা দুর্গত এলাকায় মানুষের খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি প্রশাসনকে অবগত করে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। তবে পানি নেমে গেলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং দুর্ভোগ অনেকাংশে কমে আসবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil