শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুলাউড়ায় ১৭৮৫ পিস ইয়াবাসহ, র‍্যাবের হাতে আটক (১) জন ভৈরবে গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব-১৪ অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম(এমপি) চিরদিন বেঁচে থাকবে জনসাধারনের মাঝে-চরফ্যাশন বিএমএসএফ এক প্রবাসীর কাছ থেকে ৩ লক্ষ্য টাকা নিয়ে উধাও সিলেটের শাহজাহান প্রতারক গরিব অসহায় মানুষ আমার বন্ধু  চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ওয়াছির উদ্দিন আহমেদ (কাওছার) ভৈরবে অন্তসত্বা কল্পনা নামে (বুদ্ধি প্রতিবন্ধি) কিশোরীর রহস্য জনক মৃত্যু জুড়ীতে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক স্থাপনে প্রতিবন্ধতা সৃষ্টি করতে পারবে না সাফারি পার্ক হবেই হবে পরিবেশমন্ত্রী বড়লেখায় আওয়ামীলীগের নতুন অফিস উদ্ভোধন করলেন পরিবেশ মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন মাওলানা আইয়ুব আলী ছিলেন এক বাতিঘর  জুড়ীত তিনটি গরু ও ১ পিকআপ গাড়ি উদ্ধার দুইজন কুখ্যাত চুরি আটক

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামের ঐতিহ্যবাহী কুপি বাতি

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২০, ৬.১২ পিএম
  • ১৫১ বার পঠিত

এজি লাভলু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: আধুনিকতার সংস্পর্শে এবং বৈদ্যুতিক যুগে বতর্মানে আহবহমান গ্রামবাংলার এক সময়ের জনপ্রিয় কুপি বাতি কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে। এই কুপি বাতি শুধুই এখন স্মৃতি।

কালের বির্বতনে কুপি বাতির স্থান দখল করে নিয়েছে বৈদ্যুতিক বাল্ব, চার্জার, চার্জার ল্যাম্প, চার্জার লাইটসহ আরো অনেক কিছুই। আধুনিক প্রযুক্তির কল্যাণে আবহমান গ্রামবাংলার কুপি বাতি যেন হারিয়ে যাচ্ছে রুপসী গ্রাম বাংলা থেকে। এক সময় আবহমান গ্রামবাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে এই কুপি বাতি আলো দিত। যা এখন খুব কমই চোখে পড়ে। রুপসী-গ্রামবাংলার সেই চিরচেনা প্রযোজনীয় কুপি বাতি আজ এক প্রকার কালের বিবর্তনে বিলীন হয়ে গেছে বললেই চলে।

আমাবস্যার রাতে মিটি মিটি আলো জ্বালিয়ে গ্রামের মানুষের পথ চলার স্নৃতি এখনো সৃষ্টিশীলদের কাছে টানে। এমন একটা সময় ছিল যখন গ্রামবাংলার আপামর জনসাধারণের অন্ধাকারে একমাএ আলোক বর্তিকার কাজ করতো এই কুপি বাতি। কুপি বাতিগুলো ছিল বিভিন্ন ডিজাইনের ও বাহারী রঙের ।

এই কুপিগুলো তৈরি হত কাঁচ, মাটি, লোহা আর পিতল দিয়ে। গ্রামবাংলার মানুষ সামর্থ অনুযায়ী কুপি কিনে ব্যবহার করতেন। বাজারে সাধারনত দুই ধরনের কুপি পাওয়া যেত বড় ও ছোট। বেশি আলোর প্রযোজনে কুপি বাতিগুলো কাঠ এবং মাটির তৈরী গছা অথবা স্টান্ডের উপর রাখা হত। এই গছা অথবা স্টান্ডগুলো ছিল বিভিন্ন ডিজাইনের ও বাহারী ।

কিন্তু বর্তমানে গ্রামে বিদ্যুতের ছোঁয়ায় কুপি বাতির কদর যেন হারিয়ে গেছে। বিদ্যুৎ না থাকলেও গ্রামবাংলার মানুষ ব্যবহার করছেন সৌর বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন রকমের র্চাজার। রুপসী-গ্রামবাংলা আপামর মানুষের কাছে কুপি বাতির কদর কমে গেলেও আবার কেউ কেউ এই কুপি বাতির স্নৃতি আকড়ে ধরে আছেন।সরেজমিনে দেখা যায় কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার চন্দ্রখানা গ্রামের শান্তি বালার বাড়ীতে এখনো এই বাতি ব্যবহার করা হয়।

কুড়িগ্রামে অনেকেই আবার সৌখিন হিসাবেও কুপি বাতি ব্যবহার করতে দেখা যায। উওর বড়ভিটা গ্রামের অনেশ চন্দ্র দাসের বাড়ীতে এখনও এই কুপি বাতির আলো তার ঘরকে আলোকিত করে। তিনি জানান, বাহে আমরা গরিব মানুষ টাকা পয়সা নাই তাই সোলার বা সৌর-বিদ্যুৎ নেওয়ার মত সামর্থ আমাদের নেই।

তাই বিদ্যুৎ বা সৌর-বিদ্যুৎ এর যুগেও আমরা এখনও এই কুপি বাতি ব্যবহার করছি । অনেকে আবার স্বযতেœ গ্রামবাংলার ঐতিহ্যের নিদর্শণ স্বরুপ এটি সংরক্ষণ করে রেখেছেন ।

কুপি বাতির ব্যবহার ও কদর যে হারে লোপ পাচ্ছে তাতে অদুর ভবিষ্যতে কুপি বাতি শুধু স্নৃতি হয়ে থাকবে। আবহমান গ্রামবাংলায় কুপি বাতির মত ঐতিহ্যবাহী নিদর্শন আজ প্রযুক্তির কল্যাণে বিলীন হযে যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil