বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন

“হুমকির মূখে নদী রক্ষাবাধ” নিষিদ্ধ সময়ে ধরা হচ্ছে চিংড়ি পোনা (ভিডিও) দৈনিক রুপান্তরবিডি 

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২০, ৮.২৪ পিএম
  • ১০৬ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি: মৎস সম্পদ বৃদ্ধির লক্ষে লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে মেঘনা নদীতে পহেলা মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল এ দুই মাস চাঁদপুরের ষাটনল হতে রামগতির আলেকজান্ডার পর্যন্ত ১০০কিলোমিটার নৌসীমায় অভয়াশ্রম কর্মসূচি চলছে।

অভয়াশ্রম ঘোষিত এ দুই মাস মেঘনায় সব ধরনের জাল ফেলা মাছ ধরা ক্রয় ও বিক্রয় করা সরকারিভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

 

অভয়াশ্রম এলাকায় মৎস সম্পদ ইলিশ রক্ষার্থে নৌ-পুলিশ সহ কোষ্টগার্ডকে নিযুক্ত রেখেছে সরকার।

চৌকস এ বাহিনীর সার্বক্ষনিক টহল ও নজরধারীতে ইলিশ সম্পদ রক্ষা হলেও সাম্প্রতিক চিংড়ি-পোনা শীকারে মহাব্যস্থ জেলেরা।
জানা যায়,স্থানীয়রা সহ উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত জেলেরা মশারি জালের মাধ্যমে এ চিংড়ি পোনাগুলো আহরণ করছেন।
এতে চিংড়ি রেণু-পোনা ছাড়াও অগণিত বহুজাতিক মাছের পোনা মারা যাচ্ছে।

উপজেলার মতির হাট থেকে শুরু করে চর আলেকজান্ডার পর্যন্ত মেঘনার তীরবর্তি ছোট-ছোট ঝুপঁড়ি ঘর তুলে এ
চিংড়ি রেণু পোনা শিকার করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান,করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে এক এলাকার লোকজন অন্য এলাকায় প্রবেশ সম্পূর্ণভাবে নিষেধ করেছে সরকার।

কিন্তু চিংড়ি আহরণে বিভিন্ন এলাকা হতে আগত জেলেরা সামাজিক দুরুত্ব না মেনে ঝুপঁড়ি ঘরে গাদাগাদি করে থাকায় অনেকটা আতঙ্কিত তারা।

তাছাড়া এ চিংড়ি-পোনাগুলো পরিবহন করতে প্রতিনিয়তই এলাকায় প্রবেশ করছে বহিরাগত লোকজন।

এছাড়া চিংড়ি শিকারে জেলেদের ব্যবহারকৃত (ঠেলা)জালের বাশেঁর কুঞ্চিতে জিওব্যাগ(বস্তা) ছিঁড়ে মাতাব্বর হাট রক্ষাবাধের সি-সি ব্লক ধশে পড়ে অপূরনীয় ক্ষয়ক্ষতির সম্বাবনা রয়েছে এমনটাই আসংখ্যা করছেন এখানকার ওয়াকিবহাল মহল।

এমন পরিস্থিতিতে উর্দোতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন এলাকাবাসী।

উপজেলা মৎস কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত)আব্দুল কুদ্দুস বলেন,
নিষিদ্ধ সময়ে কোন ভাবেই জেলেরা নদীতে জাল ফেলতে পারবেনা।

এছাড়া মৎস সম্পদ রক্ষায় মৎস বিভাগ ও কোষ্টগার্ডের যৌথ অভিজান অব্যাহত রয়েছে। চিংড়ি আহরণকারী জেলেদের ব্যপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে কোষ্টগার্ড কন্টিজেন্ট কমান্ডার কামাল হোসেন বলেন,মেঘনায় জেলেরা চিংড়ি-পোনা ধরছে এমন খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় অসংখ্য মাছ ধরার মশারিজাল-হাঁড়ি- পাতিল ধ্বংশ করা সহ আহরিত চিংড়ি-পোনাগুলো নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মোহাম্মদ মোবারক হোসেন বলেন, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জেলেরা যেন নদীতে কোন প্রকার জাল ফেলতে না পারে এ ব্যাপারে ইতোমধ্যেই মৎস অফিসারকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil