শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন

বাগেরহাটে ফের করোনার হানা,২ বাড়ি লকডাউন

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২০, ৭.৫০ পিএম
  • ১১০ বার পঠিত

জোবায়ের ফরাজী, বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে জাতীয় হ্নদরোগ ইনষ্টিটিউট ও হাসপাতাল থেকে আসা ১৪ বছর বয়সী কিশোর ও তার পরিবারের সন্ধান পেয়েছে বাগেরহাটের স্বাস্থ্য বিভাগ।বুধবার বেলা এগারোটার দিকে জেলার সদর উপজেলার ডেমা ইউনিয়নের বড় বাঁশবাড়িয়া গ্রামে তাদের সন্ধান পায় স্বাস্থ্য বিভাগ। ওই বাড়িটি অবরুদ্ধ করে দেয়া হয়েছে। করোনা আক্রান্ত কিশোরকে বাড়িতে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। কিশোরসহ ওই বাড়ির ১৪ সদস্যের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য খুলনার ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।

বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির জানান, বাগেরহাট থেকে এক ব্যক্তি হ্নদরোগের চিকিৎসা করাতে তার কিশোর ছেলেকে নিয়ে গত ১৮ এপ্রিল দিনগত গভীর রাতে অথাৎ ১৯ এপ্রিল জাতীয় হ্নদরোগ ইনষ্টিটিউট হাসপাতালে ভর্তি করেন।
সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ১৯ এপ্রিল ওই কিশোরের শরীরে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ দেখা দিলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য আইইডিসিআরে পাঠায়। পরে রিপোর্ট না নিয়ে ওই কিশোরকে নিয়ে তার পরিবার বাগেরহাটে চলে আসেন।মঙ্গলবার আইইডিসিআরের পরীক্ষায় তার শরীরে করোনা পজেটিভ সনাক্ত হয়। করোনা পজেটিভের কথা ফোন করে ওই কিশোরের বাবাকে জানালে তারা কোথায় আছেন তা জানাতে অস্বীকৃতি জানান।

প্রশাসনের সহযোগিতায় বুধবার সকালে তাদের সন্ধান পেয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ সেখানে যায়। সেখানে গিয়ে করোনা আক্রান্ত কিশোরের শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করা হয়। কিশোরটি সুস্থ্য স্বাভাবিক রয়েছে। তার চিকিৎসা বাড়ি রেখেই দেয়া হবে। তার সংষ্পর্শে আসা পরিবারের ১৩ জনকে সনাক্ত করা হয়েছে। ওই কিশোরসহ পরিবারের নারী পুরুষ মিলিয়ে ১৪ সদস্যের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য খুলনার ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। আশেপাশে আর কোন বাড়ি না থাকায় ওই বাড়ি দুটি লকডাউন করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil