রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন

তারাগঞ্জে জমি নিয়ে সংঘর্ষ-আহত ১০-

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৩ মে, ২০২০, ৬.০৩ পিএম
  • ৭৪ বার পঠিত

মোঃ আরিফ শেখ, রংপুর প্রতিনিধিঃ রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের প্রামাণিক পাড়া গ্রামের উভয় পক্ষের মধ্যে জমি নিয়ে সংঘর্ষে ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষ দর্শী সূত্রে জানা গেছে, রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের প্রামাণিক পাড়া গ্রামের মৃত মহির উদ্দিনের পুত্র মতিন মিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিন থেকে একই গ্রামের মৃতঃ এমাজ উদ্দিনের পুত্র আতিয়ার রহমান ও গংদের সাথে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে গত শুক্রবার দুপুরে আতিয়ারের চাচাত ভাই কাওসার আলীর সুপারীর গাছ থেকে জোর করে সুপারী পারা(ছেড়া) কে কেন্দ্র করে, উভয় পক্ষের মধ্যে জমির সীমানা নিয়ে কথা কাটা কাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি থেকে সংঘর্ষে রুপ নিলে উভয় পক্ষ লাঠিসোটা,দা, কুড়াল,বল্লমসহ ধারালো অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের দশজন আহত হয়।


আহতরা হলেন আনছার আলী (৬০)জোসনা বেগম(৫০) লিতুনজেরা (২৮) হোসনেআরা বেগম (৪৫), মাকসুদা বেগম (৪০) জান্নাতি খাতুন (১৭), ও মজিনা বেওয়া (৪০)। স্থানীয় লোকজন আহতদের প্রথমে তারাগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে এদের মধ্যে দুইজনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই সংঘর্ষের সময় আতিয়ার রহমান ও তার লোকজন আব্দুল মতিনের স্ত্রী মেয়ে সহ মহিলাদের মধ্য যুগীও কায়দায় এলোপাথাড়ি মারপিট করে বাড়িঘর ভাংচুর করেছে বলে আব্দুল মতিন অভিযোগ করেছেন ।

আব্দুল মতিন আরও জানান,আমি ন্যায় বিচারের জন্য থানায় অভিযোগ দিয়েছি। আতিয়ার রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে জানান,সংঘর্ষের পর আব্দুল মতিন নিজে তার বাড়ির বেড়া ভেঙ্গে আমাদেরকে ফাঁসানোর চেস্টা করছেন।
এব্যাপারে আজকে তারাগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিন্নাত আলী জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষের ঘটনায় উভয়পক্ষের অভিযোগ পেয়েছেন। তদন্ত শেষে মামলার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil