শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভৈরবে ঈদে মিল্লাদুন্নবী উপলক্ষে জশনে জুলুছের শোভাযাত্রা ভৈরবে নিরাপদ সড়ক চাই আয়োজনে লিফলেট ও মাস্ক বিতরণ শক্তি দিয়ে নয় মানুষের ভালবাসা দিয়ে জয়ী হতে চাই – চেয়ারম্যান প্রার্থী আরেফিন চৌধুরীর ভৈরবে তেয়ারীরচরে এডভোকেট আবুল বাসারের নির্বাচনী গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভা ভৈরবের সাদেকপুর ইউনিয়নবাসীর সাথে সরকার সাফায়েত উল্লাহ’র নির্বাচনী মতবিনিময় সভা ভৈরবে ৩ প্রতিষ্টান সিলগালা ৬০ লাখ টাকার জাল ধ্বংস বড়লেখা ফাউন্ডেশন ইউ কে উদ্যোগে আলোচনা সভা ও নৈশভোজ অনুষ্ঠান শয়তানের চ্যালেঞ্জ ও আল্লাহর ক্ষমার নমুনা ভৈরবে র‌্যাবের হাতে ভারতীয় ৫ লক্ষাধিক ট্যাবলেট ও ৯৭ পিস ভারতীয় কাতান শাড়ী উদ্ধার ভৈরবে এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরন

জুড়ীতে অবরুদ্ধ শিক্ষা কর্মকর্তা, জব্দ হলো ঘুষের টাকা

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২০ মে, ২০২০, ৪.০৬ এএম
  • ১৮৭ বার পঠিত

জুড়ী প্রতিনিধি: ৩২ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে কাজ না করার অভিযোগে জুড়ীর মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করেছে শাহাপুর দাখিল মাদরাসার শিক্ষক ও মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সদস্যরা।

১৯ মে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটা’র দিকে শিক্ষকদের এমপিও সংশ্লিষ্ট কাজে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ গোলাম সাদেকের কার্যালয়ে যান অত্র মাদরাসার শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সদস্যরা।
সরেজমিন শিক্ষকরা দাবী করেন শিক্ষা কর্মকর্তা কাজ করতে ঘুষ চাইলে তাঁরা প্রথমে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দেন, পরে ঘটনার দিন ১৭ হাজার টাকা প্রদান করলেও আরো টাকা দাবী করেন শিক্ষা কর্মকর্তা। আরো টাকা না দিলে তিনি কাজ করবেন না বলে জানান।

এদিকে, ঘুষের ১৭ হাজার টাকা অফিস সহকারী আব্দুস সহীদের কাছে রেখে দেন শিক্ষা কর্মকর্তা। সংবাদ পেয়ে সন্ধ্যার দিকে জুড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম সেখানে গিয়ে এ ১৭হাজার টাকা জব্দ করেন।

মাদরাসা সুপার মাওলানা মোঃ আবুল হোসাইন বলেন, গত ৬ মে আমাদের প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকদের এমপিওর নথি আমরা এ কর্মকর্তাকে দেই। কিন্তু ৪ মে জমার মেয়াদ শেষ হওয়ায় তিনি জমা না করে নিজের কাছে রাখেন। পরে ২১ মে থেকে ২৯ তারিখ পর্যন্ত জমার মেয়াদ বাড়ায় মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। আমরা পূর্বের জমা করা নথি তাড়াহুড়ো করে জমা দেয়ায় সংশোধনের জন্য শিক্ষা কর্মকর্তাকে বললে তিনি এ কাজের জন্য ৩০ হাজার টাকার বেশি ঘুষ দাবী করেন। আমরা বাধ্য হয়ে পনেরো হাজার টাকার পরও আরো ১৭ হাজার টাকা জোগাড় করে তাঁকে দিলে তিনি ১৩ জন শিক্ষকের মধ্যে ৬ জনের নথি সংশোধনের সুযোগ দিয়ে বাকি ৭ জনের নথি জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা করে দেন। আমাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করে না দেয়ায় আমরা তাঁকে অবরুদ্ধ করেছি”।

মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ গোলাম সাদেক এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাঁদের কাজ করতে আমি কোন টাকা দাবী করিনি। তাঁরা পূর্বের জমা করা নথি সংশোধন করে পূণরায় জমার জন্য বললে আমি তা করে দিতে রাজী হই। ৬ জনের তথ্য সার্ভার থেকে মুছে দেয়ার পর সার্ভারের ভূলে পরের ৭ টি জমা হয়ে যায়। জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে অনুরোধ করেছি সেগুলোও মুছে দেয়ার জন্য। তিনি বাইরে থাকায় পরে করবেন বলে জানান। কিন্তু ওরা আমার কথা না শুনে আমাকে কার্যালয়ে আটকিয়ে রেখেছে।

অবরুদ্ধ করে রাখার সংবাদ তিনি জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা , উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বা পুলিশকে অবহিত করেননি বলেও জানান গোলাম সাদেক।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil