শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১, ১২:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

চরফ্যাশনে স্কুল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সরকারি বিস্কুট আত্মসাৎের অভিযোগঃ

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২০ মে, ২০২০, ৭.০৩ পিএম
  • ১১০ বার পঠিত

জিহাদুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

ভোলা চরফ্যাশনের মাদ্রাজ ইউনিয়নে অবস্থিত পুর্বমাদ্রাজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডব্লিউ এফ পি এর অর্থায়নে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার দরিদ্র পীড়িত এলাকায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির অধিনে প্রদত্ত বিষ্কুট আত্মসাৎের অভিযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশসহ সারা বিশ্ব করোনাভাইরাস মহামারিতে সংক্রমন ও মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমে বেড়েই চলেছে।এখন পর্য়ন্ত এ ভাইরাসের মুল প্রতিকারক সতর্কতা ও জনসমাগম এরিয়ে চলা।তাই বাংলাদেশ সরকার সংক্রমনে প্রথম পর্য়ায়েই সমস্ত স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসা বন্ধ ঘোষনা করেছেন।কিন্তু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলো বন্ধ থাকায় এই কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র এলাকার শিশুরা বিস্কুট না পেয়ে ভুগছিলো পুষ্টিহীনতায়।এমনি অবস্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে প্রাথামিক শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক শিদ্ধান্ত নেয় যেসব স্কুলগুলো এই কর্মসূচির আওতায় আছে সেসব স্কুলে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ৫০প্যাকেট করে প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীকে দেওয়ার।তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল মঙ্গলবার ভোলা জেলায় চরফ্যাশনের বেশিরভাগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিষ্কুট বিতরন করা হয়।

কিন্তু চরফ্যাশনের পুর্বমাদ্রাজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫০প্যাকেট করে বিষ্কুট বিতরনের পরিবর্তে ২০-২৫ প্যাকেট করে বিষ্কুট বিতরনের অভিযোগ পাওয়া যায়।

সরেজমিন পরিদর্শন করে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষর্থীদের সাথে কথা বলে ঘটনার পুরো সত্যাতা পাওয়া যায়।শিক্ষার্থীরা অনেকেই বলছেন ৩০প্যাকেটের উপরে কোনো শিক্ষার্থীকেই দেওয়া হয় নাই।তাহলে বাকি বিস্কুটগুলো গেলো কোথায়?

এবিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলমগীর স্যারের সাথে মুঠোফোনে ০১৭১০৬২০৮১১ এই নাম্বারে কথা বললে তিনি অভিযোগটি অস্বীকার করে ৫০প্যাকেট করে দিয়েছেন বলে জানান।তিনি বলেন,যেসব শিশুরা এ বিষয়ে অভিযোগ করছে তাদের বিরুদ্ধে আমি এ্যাকশনে যাবো।

স্থানীয়রা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও বিচার দাবি করেছেন।তাদের প্রশ্ন শিশুরা সবসময় সত্য বলে তাই কি তাদের বিরুদ্ধে যাবেন প্রধান শিক্ষক?

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil