মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন

মানবিক চেয়ারম্যান বাবু : বিশ্রামহীন কর্মতৎপরতা

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২০ মে, ২০২০, ৯.১৯ পিএম
  • ৭৪ বার পঠিত

মোহাম্মদ ইকবাল হোসাঈন:

সোনাগাজী উপজেলায় মানবিক এক ব্যক্তির নাম মতিগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউজ্জামান বাবু। কাজের তৎপরতায় বিশ্রামহীন তিনি। জনগনের কল্যাণে সর্বদাই তিনি এক পা এগিয়ে। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া পরিবার গুলোর দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। সরকারী , বেসরকারী সহ ব্যক্তিগত ভাবে খাদ্য সহায়তা দিয়েই চলেছেন অবিরত। নিজ ইউনিয়ন কে জীবাণুমুক্ত করতে স্প্রে করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। রাতের আধাঁরে- জাতি বর্ণ ভুলে, কর্মহীন হয়ে পড়া ও সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রতিদিন ছুটে চলছেন একজন মানবিক ইউপি চেয়ারম্যান রবিউজ্জামান বাবু। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের আতঙ্কে সবাই যখন ঘরে বসে সময় কাটাচ্ছেন, ঠিক তখনই মধ্যবিত্তদের খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। শরীরে পোশাক ভাল হলেও ঘরে খাবার নেই কর্মহীন মধ্যবিত্তদের। মুখ লজ্জ্বায় বলতে না পারা অভাবী লোকদের মনের ভাষা বুঝে প্রতিরাতেই খাদ্যসামগ্রী নিয়ে গ্রামাঞ্চলের খেটে খাওয়া মানুষের ঘরের দরজায় হাজির হন চেয়ারম্যান বাবু। চেয়ারম্যান বাবুর সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। লোক দেখানো বা ফটোসেশন না করে দেশের দু:সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তিনি এবাদত মনে করেন। ৪ বছর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনে কোন প্রকার সুনাম ক্ষুন্ন হয়নি তার। পর-পর দুই বারের জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। সাম্প্রতিক তিনি মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। মতিগঞ্জ ইউনিয়নের সুজাপুর গ্রামের লোমিমিয়াজি বাড়ীর মোঃ মোস্তফা ও মোঃ ফারুক এর অসুস্থ বৃদ্ধা মা ফিরোজা বেগম (৭০) কে দুই পুত্রবধু গত শনিবার(১৬ মে) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত (ইফতারের আগ) রাস্তায় পেলে রাখে। বৃদ্ধা মহিলাটির ২ ছেলেই প্রবাসী অবস্থান রত। বড় ছেলে প্রাবাসী মোঃ মোস্তফার স্ত্রী-পারভিন আক্তার ও ছোট ছেলে প্রাবাসী মোঃ ফারুক এর স্ত্রী-লিপি আক্তার তাদের প্যারলাইসেস আক্রান্ত বৃদ্ধা শ্বাশুড়ি কে সকাল থেকে ইফতারের আগ পর্ষন্ত ঘরের বাহিরে রাস্তায় পেলে রাখে। বাড়ির মানুষ ও এলাকাবাসি দেখে মতিগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ রবিউজ্জামান বাবু কে ফোনের মাধ্যমে বিষটি অবগত করেন। চেয়ারম্যান তাতক্ষনিক খরব পেয়ে ঘটনার স্থলে ছুটে আসেন। এবং বৃদ্ধ মাকে বুকে টেনে নেন। উপস্থিত বাড়ির ও সমাজের সবার সামনে বৃদ্ধার দুই পুত্রবধুকে ডেকে এনে কড়া ভাষায় তাদের বিরুদ্ধে আইন আনুক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে হুশিয়ারি দেন। এবং চেয়ারম্যান তার বাড়িতে নিয়ে যেতে চায়। এক পর্যায় প্রবাসীদের স্ত্রী নিজেদের ভুল স্বীকার করে শাশুড়ি কে ঘরে ফিরিয়ে নেয়। চেয়ারম্যান চেয়ারম্যানের নির্দেশ ক্রমে বোরণ পোশন হিসেবে প্রত্যেকে ছেলে কে ১মাস করে দায়িত্ব দেয়া হয়। চেয়ারম্যান বলেন বৃদ্ধার দুই প্রবাসী ছেলে ও ছেলেদের স্ত্রী যদি এগুলো করতে ব্যর্থ হয় বা অপারগতা স্বীকার করে তাহলে আগামীতে আমি বৃদ্ধাকে আমার বাড়িতে নিয়ে যাবো। বৃদ্ধা মায়ের কোন অযতœ না হয় সে জন্য ঐ বাড়ির মুরুব্বি আব্দুর রফ এবং সমাজের সভাপতি সাহাব উদ্দিন কে দায়িত্ব দিয়ে আসেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil