শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০৩:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভৈরবে তেয়ারীরচরে এডভোকেট আবুল বাসারের নির্বাচনী গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভা ভৈরবের সাদেকপুর ইউনিয়নবাসীর সাথে সরকার সাফায়েত উল্লাহ’র নির্বাচনী মতবিনিময় সভা ভৈরবে ৩ প্রতিষ্টান সিলগালা ৬০ লাখ টাকার জাল ধ্বংস বড়লেখা ফাউন্ডেশন ইউ কে উদ্যোগে আলোচনা সভা ও নৈশভোজ অনুষ্ঠান শয়তানের চ্যালেঞ্জ ও আল্লাহর ক্ষমার নমুনা ভৈরবে র‌্যাবের হাতে ভারতীয় ৫ লক্ষাধিক ট্যাবলেট ও ৯৭ পিস ভারতীয় কাতান শাড়ী উদ্ধার ভৈরবে এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরন লক্ষ্মীপুরে বড় ভাইয়ের স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ দেবরের বিরুদ্ধে বড়লেখা পল্লী বিদ্যুতের অতিরিক্ত বিল নিয়ে গ্রাহকদের মানববন্ধন বড়লেখা মানবসেবা সংস্থার উদ্যোগে সিলিং ফ্যান বিতরণ

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ঝলসানো শরীর নিয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে সুমী বেগম

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৩০ মে, ২০২০, ৭.৩৩ পিএম
  • ৮৬ বার পঠিত

 

গাইবান্ধা থেকে আবু নাসের সিদ্দিক তুহিনঃ-

গাইবান্ধা জেলার পলাশভাড়ী উপজেলার ২ নং হোসেনপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা শাফিরুল ইসলাম শাফু তার বড় কন্যা সুমী আক্তারের সাথে গত ৭ বছর পূর্বে একই ইউনিয়নের চাকলা গ্রামের মৃত মোসলেম মিয়ার ছেলে মোশারফ হোসেনের সাথে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়।
জানা যায়,বিয়ের পর হতে নানা কারণে মোশারফ ও সুমী দম্পতির মাঝে যৌতুকসহ নানা বিষয়াদি নিয়া দ্বন্দ কলোহ লেগেই থাকতো। এরমধ্যেই তারা এলাকা হতে টাঙ্গাইলে চলে যায় সেখানে জেলার মির্জাপুর থানাধীন গোড়াই দক্ষিণ নাজিরপাড়ার জনৈক শাহজাহান মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতো।
সেখানে ভাড়া থাকাকালে পলাশবাড়ী হোসেনপুর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মোসলেম উদ্দিনের কু পরামর্শে যৌতুকের টাকা দাবী করে সুমীর স্বামী মোশারফ হোসেন (৩০) ও তার মা চায়না বেগম (৪৮) গত ৫ মে রমজান মাসে তারাবির নামাজের সময় সকলেই তারাবির নামাজে ব্যাস্ত থাকার সুযোগ তারা সুমী বেগমের শরীরের সামনের অংশে দাহ্য পদার্থ জাতীয় তরল কিছু দিয়ে ঝলসে দেয় এসময় সুমী বেগম চিৎকার দিতে দিতে উক্ত বাসার টয়লেটে গিয়ে পানি ঢালতে শুরু করে একাই নিজেকে প্রানে রক্ষা করতে পারলেও তার আগে শরীরে সামনের অংশে গলার নিচে বুক হতে তলপেট হাটু উপরের প্রায় ৭৫ ভাগ পুরে যায়। তবে শরীরের পিছনের অংশে কোথায় পুড়ে যায়নি। এঘটনার পর সুমী আক্তার জ্ঞান হারিয়ে ফেলে এসময় স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে সুমী আক্তারের স্বামী ও শাশুরী চায়না বেগম বলেন যে সুমী আক্তার আত্মহত্যা করতেই নিজে শরীরে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। এরপর তাকে স্থানীয়দের সহযোগীতায় মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে ২ দিন চিকিৎসা দেওয়ার পর আবার তারা সুমী আক্তার ভাড়া বাসায় নিয়ে আসে সেখানে ১৭ দিন রাখার পর অবস্থার অবনতি হলে তারা সুমী আক্তারকে গত ২৪ মে তারা বাবার বসতবাড়ীতে নিয়ে আসে এসময় সুমী আক্তারের এমন অবস্থা দেখে স্থানীয়রা স্বামী ও শাশুরীকে আটক করে পলাশবাড়ী থানায় প্রেরণ করে। থানা পুলিশ ঘটনাটি শুনে স্বামী মোশারফ হোসেন কে আটক করে এবং ঘটনাস্থল মির্জাপুর থানায় মামলা দায়ের পরামর্শ প্রদান করলে সুমী আক্তারের বাবা শাফু বাদী হয়ে টাইঙ্গালের মির্জাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করে । এমামলা নং -১১/৯৮ । এই মামলার আসামী মোশারফ হোসেন ,তার মা চায়না বেগম ও ইউপি সদস্য মোসলেম উদ্দিন।
এদিকে এ ঘটনাটির জানাজানি হলে স্থানীয়দের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে স্থানীয়রা সুমী আক্তারের চিকিৎসার জন্য সকলের নিকট হতে চাঁদা তুলে বর্তমানে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা চলমান রেখেছেন ।দরিদ্র অসহায় পরিবারটি জানায় মৃত্যুর সাথে প্রতিটি মুহুর্তে পাঞ্জা লড়ছে সুমী আক্তার। অপর দিকে আটককৃত স্বামী মোশারফ আদালত হতে জামিনে মুক্তি পাওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে । তারা এঘটনায় জড়িত ইউপি সদস্য মোসলেম উদ্দিনসহ সুমী বেগমের স্বামী শাশুড়ির দৃষ্ঠান্ত মুলক শাস্তি দাবী করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil