শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১, ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন

বাগেরহাটে চাষীদের সুবিধার্থে ‘ভ্রাম্যমান মৎস্য ক্লিনিক’ চালু

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৭ জুন, ২০২০, ৩.৪৪ পিএম
  • ১৭০ বার পঠিত

 

জোবায়ের ফরাজী,বাগেরহাট:

নোভেল করোনা ভাইরাসের প্রভাবে একদিকে যেমন মৎস্যচাষীরা মৎস্য গবেষণা কেন্দ্রে আসতে পারছেননা,অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পড়েছে প্রায় চার হাজার মৎসচাষী। এ সকল মৎস চাষীদের সুবিধার্থে বাগেরহাটে চালু হয়েছে‘ভ্রাম্যমান মৎস্য ক্লিনিক’। জেলা চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগে ও পরিচালনায় শনিবার দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলার মিজানুর রহমান ও হারিদুল ইসলামের মৎস্য ঘেরে গিয়ে পানির গুণাগুণ ও মাছের স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমে এই কার্যক্রমের উদ্ভোধন করেন বাগেরহাট চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা।

 

এদিকে, ভ্রাম্যমান মৎস্য ক্লিনিকের ব্যতিক্রমী এ ধরনের সেবা চালু হওয়ায় খুশি হয়েছেন চিংড়ি চাষি ও সংশ্লিষ্টরা। সুবিধাভোগী মাছ চাষীরা বলেন, “মাছ চাষই আমাদের জীবিকার প্রধান উৎস। কিন্তু বিগত কয়েক বছর ধরে মাছের রোগ লেগেই আছে। যার ফলে আমরা একটু শঙ্কায় থাকতাম। মাছের রোগ হলে উপজেলা সদর এবং অনেক সময় জেলা সদরেও যেতে হত। যাতে টাকা ও সময় দুটোই নষ্ট হত।এছাড়া করোনা পরিস্থিতিতে মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র বা উপজেলা ও জেলা মৎস্য অফিসে যাওয়াও ঝুঁকিপূর্ণ। বাগেরহাট চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগে ভ্রাম্যমান মৎস্য ক্লিনিক চালু হওয়ায় আমরা এখন আশার আলো দেখছি”।

বাগেরহাট চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এএফ এম শফিকুজ্জোহা বলেন, “করোনা পরিস্থিতিতে অনেকে বাড়ি থেকে বের হতে চান না। তাই প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হন। তাই,এই মুহূর্তে আমরা চাষিদের দোঁরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে ভ্রাম্যমাণ মৎস্য ক্লিনিক চালু করেছি। চাষীরা বাড়িতে বসে আমাদের নম্বরে ফোন দিলে আমাদের সাত সদস্যের এই টিমটি চাষিদের ঘেরে গিয়ে সেবা দিবে। চাষিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও করণীয় সম্পর্কে জানাবে”। বছরব্যাপী তাদের এই কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে জানান উর্ধতন এ কর্মকর্তা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazar1254120z

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের।

Founder Md. Sakil